ঢাকা ০১:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

গ্রিনল্যান্ডে ইউরোপীয় সেনা সমাবেশ: মার্কিন ‘ক্রয় প্রস্তাব’ ঘিরে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৩২:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড কেনার আগ্রহ প্রকাশ এবং এর জেরে সৃষ্ট কূটনৈতিক টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই আর্কটিক দ্বীপের নিরাপত্তা জোরদারে ইউরোপীয় দেশগুলো সেনা মোতায়েন শুরু করেছে। এই পদক্ষেপ আর্কটিক অঞ্চলে নতুন ভূ-রাজনৈতিক মেরুকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে ডেনমার্ক, গ্রিনল্যান্ড এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অনুষ্ঠিত আলোচনা কোনো সুরাহা ছাড়াই শেষ হওয়ার পরই ইউরোপীয় দেশগুলো এই সামরিক পদক্ষেপ নিতে শুরু করে। গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করাই তাদের মূল লক্ষ্য।

ফ্রান্স, জার্মানি, নরওয়ে এবং সুইডেনসহ বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ গ্রিনল্যান্ডে তাদের সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে। এর মধ্যে ফ্রান্স এরই মধ্যে ১৫ জন এবং জার্মানি ১৩ জন সেনা পাঠিয়েছে। এই দেশগুলোর সম্মিলিত প্রচেষ্টা আর্কটিক দ্বীপের কৌশলগত গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপে হাইতির মুখোমুখি ব্রাজিল: আনচেলত্তির কৌশলগত পরিবর্তন, নতুন ছকে জয়ের লক্ষ্য

গ্রিনল্যান্ডে ইউরোপীয় সেনা সমাবেশ: মার্কিন ‘ক্রয় প্রস্তাব’ ঘিরে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা

আপডেট সময় : ১০:৩২:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড কেনার আগ্রহ প্রকাশ এবং এর জেরে সৃষ্ট কূটনৈতিক টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই আর্কটিক দ্বীপের নিরাপত্তা জোরদারে ইউরোপীয় দেশগুলো সেনা মোতায়েন শুরু করেছে। এই পদক্ষেপ আর্কটিক অঞ্চলে নতুন ভূ-রাজনৈতিক মেরুকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

আর্কটিক অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে ডেনমার্ক, গ্রিনল্যান্ড এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অনুষ্ঠিত আলোচনা কোনো সুরাহা ছাড়াই শেষ হওয়ার পরই ইউরোপীয় দেশগুলো এই সামরিক পদক্ষেপ নিতে শুরু করে। গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করাই তাদের মূল লক্ষ্য।

ফ্রান্স, জার্মানি, নরওয়ে এবং সুইডেনসহ বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ গ্রিনল্যান্ডে তাদের সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে। এর মধ্যে ফ্রান্স এরই মধ্যে ১৫ জন এবং জার্মানি ১৩ জন সেনা পাঠিয়েছে। এই দেশগুলোর সম্মিলিত প্রচেষ্টা আর্কটিক দ্বীপের কৌশলগত গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।