জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়, অস্বাভাবিক জোয়ারের প্লাবন, লবণাক্ততা এবং নদী ভাঙ্গনের হার ক্রমবর্ধমান। এর ফলস্বরূপ বাংলাদেশে প্রতি বছর ২০ থেকে ২৫ লাখ মানুষ অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এই বিশাল সংখ্যক মানুষ রাজধানী ঢাকাসহ খুলনা ও চট্টগ্রামের মতো শহরে আশ্রয় নিলেও সেখানেও তারা নতুন ধরনের সংকটের মুখোমুখি হচ্ছেন, যার মধ্যে রয়েছে অনিরাপদ আবাসন, পানি-স্বাস্থ্য-শিক্ষা সেবার অভাব এবং সামাজিক বঞ্চনা। সামগ্রিকভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট সংকট দিন দিন বেড়েই চলেছে।
বৃহস্পতিবার কারিতাস বাংলাদেশের উদ্যোগে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত ‘জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিবাসন এবং অভিবাসীদের জন্য সঠিক নীতিমালা এগিয়ে নিতে গণমাধ্যমের ভূমিকা বিষয়ক’ মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। সভার শুরুতে কারিতাস বাংলাদেশের পরিচালক (সিডিআই) থিউফিল নকরেক উপস্থিত সাংবাদিকদের স্বাগত জানিয়ে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীসহ দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত, বিপদাপন্ন ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ঝুঁকি নিরসন, অভিযোজন ও জীবনমান উন্নয়নমূলক সংক্রান্ত কারিতাস কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রমের সংক্ষিপ্ত চিত্র তুলে ধরেন।
সাংবাদিক সোহরাব হাসান তার বক্তব্যে বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাস্তুচ্যুতদের নিয়ে সংকট দিন দিন আরও বাড়ছে এবং এটি এখন বহুমুখী। অনেক সময় এই সংকটগুলো চোখ এড়িয়ে যায়। ফলে এর সমাধানে একটি পৃথক মন্ত্রণালয় গঠন করা যেতে পারে। তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সরকারি প্রকল্পগুলোর অপচয় কমানোর ওপরও মনোযোগ দেওয়া জরুরি।
রিপোর্টারের নাম 




















