ঢাকা ০৩:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

গাইবান্ধার সাঘাটায় যমুনার তীররক্ষা বাঁধে ধস: ২৫০ পরিবারে ভাঙন আতঙ্ক, কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার গোবিন্দপুরে যমুনা নদীর তীররক্ষা বাঁধে ভয়াবহ ধস দেখা দিয়েছে। প্রায় শত কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই বাঁধের ১০ নম্বর সাইডের ব্লক পানির চাপে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে, যা নদী তীরবর্তী অন্তত ২৫০টি পরিবারে নতুন করে ভাঙন আতঙ্ক ও উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সিডিউল বহির্ভূত ও দায়সারা কাজের কারণেই প্রকল্পের এই দশা। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ বুঝে নেওয়ার আগেই এমন ধসের ঘটনায় স্থানীয় শত শত পরিবারের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় আইয়ুব আলী ও মজিবর রহমান জানান, সরকার নদী ভাঙন থেকে বাঁচাতে কোটি কোটি টাকা খরচ করছে, অথচ ঠিকাদারের গাফিলতির কারণে সামান্য পানিতেই সব ধসে যাচ্ছে। তারা এখন ঘরবাড়ি হারানোর ঝুঁকিতে আছেন।

নদী পাড়ের মানুষের দাবি, অনতিবিলম্বে এই অনিয়মের তদন্ত করে দায়ী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হোক। একই সঙ্গে যমুনার গ্রাস থেকে গোবিন্দপুর এলাকাকে রক্ষায় জরুরি ভিত্তিতে টেকসই সংস্কার কাজ শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশরাফুল কবীর জানিয়েছেন, বিষয়টি অবগত হওয়ার পর গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই ঘটনা প্রকল্পের স্থায়িত্ব ও স্বচ্ছতা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তৈরি করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরাকে মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে হামলার জন্য ইরানের নতুন গোপন সেল গঠন

গাইবান্ধার সাঘাটায় যমুনার তীররক্ষা বাঁধে ধস: ২৫০ পরিবারে ভাঙন আতঙ্ক, কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন

আপডেট সময় : ১২:৫৮:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার গোবিন্দপুরে যমুনা নদীর তীররক্ষা বাঁধে ভয়াবহ ধস দেখা দিয়েছে। প্রায় শত কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই বাঁধের ১০ নম্বর সাইডের ব্লক পানির চাপে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে, যা নদী তীরবর্তী অন্তত ২৫০টি পরিবারে নতুন করে ভাঙন আতঙ্ক ও উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সিডিউল বহির্ভূত ও দায়সারা কাজের কারণেই প্রকল্পের এই দশা। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ বুঝে নেওয়ার আগেই এমন ধসের ঘটনায় স্থানীয় শত শত পরিবারের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় আইয়ুব আলী ও মজিবর রহমান জানান, সরকার নদী ভাঙন থেকে বাঁচাতে কোটি কোটি টাকা খরচ করছে, অথচ ঠিকাদারের গাফিলতির কারণে সামান্য পানিতেই সব ধসে যাচ্ছে। তারা এখন ঘরবাড়ি হারানোর ঝুঁকিতে আছেন।

নদী পাড়ের মানুষের দাবি, অনতিবিলম্বে এই অনিয়মের তদন্ত করে দায়ী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হোক। একই সঙ্গে যমুনার গ্রাস থেকে গোবিন্দপুর এলাকাকে রক্ষায় জরুরি ভিত্তিতে টেকসই সংস্কার কাজ শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা। সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশরাফুল কবীর জানিয়েছেন, বিষয়টি অবগত হওয়ার পর গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই ঘটনা প্রকল্পের স্থায়িত্ব ও স্বচ্ছতা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন তৈরি করেছে।