বাংলাদেশের রাজনীতিতে নির্বাচন কেবল সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং এটি রাষ্ট্র ও নাগরিকের মধ্যকার সামাজিক চুক্তি নবায়নের এক গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। প্রতিবার নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ কেবল শাসক নির্বাচন করে না, বরং রাষ্ট্র কোন আদর্শ ও নৈতিক ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত হবে, সেই সিদ্ধান্তও গ্রহণ করে। এই প্রেক্ষাপটে মানবাধিকার কোনো প্রান্তিক বা আনুষঙ্গিক বিষয় নয়, বরং এটি গণতন্ত্রের মূল চালিকাশক্তি।
তবে বাংলাদেশের নির্বাচনি রাজনীতিতে মানবাধিকার প্রায়শই ইশতেহার ও পোস্টারের আলোকসজ্জায় সীমাবদ্ধ থাকে। এর বাস্তব প্রতিফলন ঘটে খুবই কম, যার ফলে নাগরিক সমাজে মানবাধিকার শব্দটি ক্রমশ বিশ্বাসযোগ্যতা হারাচ্ছে। যখন বাংলাদেশ আবারও একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনি সন্ধিক্ষণের মুখোমুখি, তখন রাজনৈতিক দলগুলোর মানবাধিকার-সংক্রান্ত অঙ্গীকারের পেছনের উদ্দেশ্য এবং ক্ষমতায় গেলে তা বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় রাজনৈতিক দল, মানবাধিকার এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা একে অপরের পরিপূরক। রাজনৈতিক দল রাষ্ট্রক্ষমতা সংগঠিত ও পরিচালনা করে, মানবাধিকার সেই ক্ষমতার সীমা নির্ধারণ করে দেয় এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নাগরিকের জবাবদিহিতার আওতায় ক্ষমতাকে নিয়ে আসে। এই তিনটির ভারসাম্যই একটি গণতন্ত্রের সুস্থতা নির্ধারণ করে।
বাংলাদেশের বাস্তবতায় এই ভারসাম্য দীর্ঘকাল ধরে বিঘ্নিত হচ্ছে। রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা এখানে প্রায়শই রাষ্ট্র দখলের লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। এই লড়াইয়ে মানবাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে গণতন্ত্রের ভিত্তি হিসেবে না দেখে শাসকগোষ্ঠী ‘বাধা’ হিসেবে বিবেচনা করছে।
মানবাধিকার কোনো বিমূর্ত নৈতিক ধারণা নয়; এটি নাগরিকের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও স্বাধীনতার বাস্তব ভিত্তি। ভোটাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, সংগঠন করার অধিকার, ন্যায়বিচারের অধিকার—এ সবই মানবাধিকারের অবিচ্ছেদ্য অংশ। একটি নির্বাচন যদি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য না হয়, তবে শুধু সরকারই অবৈধ হয় না; রাষ্ট্র নিজেই নাগরিকের মৌলিক অধিকারের উপর প্রতিষ্ঠিত নৈতিক ভিত্তি হারায়।
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসে আমরা দেখেছি, নির্বাচন ঘিরে গ্রেপ্তার, গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা, মামলা-বাণিজ্য এবং গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের মতো ঘটনাগুলো কীভাবে একটি সর্বব্যাপী ভয়ের সংস্কৃতি তৈরি করেছে। এই বাস্তবতায় কোনো দল যখন নির্বাচনে মানবাধিকার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেয়, তখন সেটি কেবল একটি রাজনৈতিক অঙ্গীকার নয়, বরং এটি হওয়া উচিত একটি রাষ্ট্রীয় পুনর্গঠনের অঙ্গীকার।
তাত্ত্বিকভাবে, রাজনৈতিক দলগুলো একটি নিরপেক্ষ রাষ্ট্রের কাঠামোয় প্রতিযোগিতা করবে। কিন্তু বাংলাদেশের বাস্তবতায় দেখা যায়, ক্ষমতায় এলে দলগুলো শুধু সরকার গঠনেই থেমে থাকে না, বরং তারা ধীরে ধীরে রাষ্ট্রকেই দলীয় নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করে। ক্ষমতায় গিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, প্রশাসন, আমলাতন্ত্র, নিয়ন্ত্রক ও তদারকি প্রতিষ্ঠান—এমনকি বিচার বিভাগেরও কিছু অংশকে দলীয়করণ করা হয়।
এর ফলে একটি ‘winner-takes-all’ সংস্কৃতি তৈরি হয়, যেখানে নির্বাচন হারানো মানে কেবল ক্ষমতা হারানো নয়, বরং নিরাপত্তা, অধিকার ও কণ্ঠস্বর হারানো। এই পরিস্থিতিতে বিরোধী দল, সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী এবং নাগরিক সমাজ স্বাভাবিকভাবেই ঝুঁকির মুখে পড়ে। ভিন্নমত এবং স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক আচরণ তখন ‘রাষ্ট্রের জন্য হুমকি’ হিসেবে চিহ্নিত হয়।
বাংলাদেশের প্রায় সব প্রধান রাজনৈতিক দল তাদের ইশতেহারে মানবাধিকার, আইনের শাসন ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার কথা উল্লেখ করে। কিন্তু ক্ষমতায় যাওয়ার পর অধিকাংশ সরকারই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাকে মানবাধিকারের ঊর্ধ্বে স্থান দিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে রাজনৈতিক হাতিয়ারে পরিণত করা হয়েছে। বিরোধী মতকে ‘রাষ্ট্রবিরোধিতা’ হিসেবে দমন করা হয়েছে। আদালতকে রাজনৈতিক চাপের মুখে রাখা হয়েছে। মানবাধিকার কমিশনকে নামমাত্র প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা হয়েছে। ফলে ‘মানবাধিকার’ শব্দটি মানুষের কাছে ক্রমশ অবিশ্বাস্য হয়ে উঠেছে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে মানবাধিকার এবং নির্বাচনব্যবস্থা সবসময়ই রাজনৈতিক ক্ষমতার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত থেকেছে। সংবিধানে মৌলিক অধিকার, আইনের শাসন ও গণতন্ত্রের কথা উল্লেখ থাকলেও, বাস্তবে এই অধিকারগুলোর পরিধি নির্ধারিত হয়েছে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক শক্তির মানসিকতা ও শাসন-দর্শনের উপর।
স্বাধীনতার পর প্রথম আওয়ামী লীগ সরকারই এই দ্বন্দ্বের বীজ বপন করে। সংবিধানে অধিকার সংরক্ষিত থাকলেও সরকার দ্রুত বিরোধী কণ্ঠ দমন করতে শুরু করে। সংবাদপত্র নিয়ন্ত্রণ, রাজনৈতিক বিরোধীদের উপর নিপীড়ন এবং রক্ষীবাহিনীর মাধ্যমে বিচারবহির্ভূত হত্যা ও নির্যাতন চালানো হয়। এর চূড়ান্ত রূপ আসে ১৯৭৫ সালে বাকশাল কায়েমের মাধ্যমে—যখন একদলীয় শাসন সাংবিধানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়, সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ হয় এবং সংবাদপত্র বন্ধ করে দেওয়া হয়। এই অধ্যায়টি বাংলাদেশের মানবাধিকার ইতিহাসের প্রথম বড় ধাক্কা।
পরবর্তীতে সামরিক শাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের আমলেও গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের অবস্থা ভালো ছিল না। তিনি সেনাবাহিনীর শক্তির উপর ভর করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন এবং একটি নিয়ন্ত্রিত, কারচুপিপূর্ণ নির্বাচন ব্যবস্থা গড়ে তোলেন। সংবাদপত্র, রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজ তার শাসনে নানা বিধিনিষেধের সম্মুখীন হয়। তবে একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ—এরশাদের বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত জনগণের ঐক্যবদ্ধ গণতান্ত্রিক আন্দোলনই তার পতন ঘটায়। সেই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া, যিনি ১৯৯০ সালে স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রামের প্রতীকে পরিণত হন।
১৯৯১ সালে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পর খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে গঠিত সরকার ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ সরকার। তার সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরুজ্জীবিত করা এবং রাজনৈতিক বহুত্বকে স্বীকৃতি দেওয়া। পরে ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সাংবিধানিক রূপ পায়, যা দক্ষিণ এশিয়ায় একটি ব্যতিক্রমী ও গণতান্ত্রিক উদ্ভাবন ছিল। এই ব্যবস্থার উদ্দেশ্য ছিল নির্বাচনকে দলীয় প্রভাবমুক্ত রাখা, যাতে নাগরিকরা ভয়ভীতি ছাড়াই ভোট দিতে পারেন।
এই গণতান্ত্রিক ধারার ভিত্তি অনেকাংশেই গড়ে উঠেছিল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়। তিনি একদলীয় ব্যবস্থা ভেঙে বহুদলীয় রাজনীতি পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেন এবং রাজনৈতিক ভিন্নমতকে রাষ্ট্রীয় জীবনের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেন। তার শাসনামলে মানবাধিকার পরিস্থিতি নিখুঁত না হলেও, রাষ্ট্রীয় দর্শনে রাজনৈতিক বহুত্ব ও নাগরিক অধিকারের ধারণা প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি পায়।
এই তুলনামূলক ধারার বিপরীতে, ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফিরে আসার পর পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নেয়। এই সময় রাষ্ট্র কার্যত একটি নজরদারি ও দমনমূলক যন্ত্রে পরিণত হয়। র্যাব, ডিবি ও গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে বিরোধী রাজনৈতিক নেতাকর্মী, সাংবাদিক ও নাগরিক সমাজের সদস্যদের গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা এবং মিথ্যা মামলার শিকার করা হয়। বহু মানুষ নিখোঁজ হন, অনেকের লাশ পাওয়া যায়, অনেকের ভাগ্য অজানা থেকে যায়। এসব ঘটনার কোনো স্বচ্ছ তদন্ত হয়নি, বরং রাষ্ট্র নিয়মিত দায় অস্বীকার করেছে। এর ফলে বাংলাদেশে একটি ভয়ভিত্তিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে ওঠে, যেখানে সমালোচনা করা মানেই ঝুঁকিতে পড়া।
নির্বাচনি ব্যবস্থাও এই সময় আওয়ামী লীগের হাতে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়। ২০১৪ সালের নির্বাচনে প্রধান বিরোধী দলসহ অধিকাংশ দল অংশ না নেওয়ায় ১৫৩টি আসনে বিনাভোটে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিজয়ী হন, যা ছিল কার্যত ভোটারবিহীন একটি সংসদ। ২০১৮ সালের নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপি, ভোটের আগের রাতে ব্যালট ভর্তি, বিরোধী এজেন্টদের বের করে দেওয়া এবং প্রশাসনের দলীয় ভূমিকার অভিযোগ ওঠে। ২০২৪ সালের নির্বাচনেও প্রকৃত প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল না। এসব নির্বাচন ক্ষমতা হস্তান্তরের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নয়, বরং ক্ষমতা দখলকে বৈধতা দেওয়ার আনুষ্ঠানিকতা মাত্র।
মতপ্রকাশের স্বাধীনতাও এই শাসনামলে মারাত্মকভাবে সংকুচিত হয়েছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ দমনমূলক আইন ব্যবহার করে সাংবাদিক, লেখক, ফেসবুক ব্যবহারকারী ও সমালোচকদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গণমাধ্যমকে বিজ্ঞাপন বন্ধ, মামলা ও প্রশাসনিক চাপ দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। ফলে দেশে একটি আত্মনিয়ন্ত্রণ ও ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছে, যেখানে মানুষ সত্য বলার আগে নিজের নিরাপত্তা নিয়ে ভাবতে বাধ্য হয়।
আজ মানুষের মৌলিক প্রশ্ন হলো—নতুন করে দেওয়া নির্বাচনি অঙ্গীকারগুলো কি আবার কাগুজে প্রতিশ্রুতিতে সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি সত্যিকারের পরিবর্তনের সূচনা ঘটাবে?
মানবাধিকার নিশ্চিতকরণ মানে শুধু গুম বন্ধ করা নয়। এর অর্থ হলো—১. নাগরিক যেন রাষ্ট্রের ভয়ে নয়, আইনের আশ্রয়ে নিরাপদ বোধ করে। ২. পুলিশ যেন শাসক দলের নয়, সংবিধানের সেবা করে। ৩. বিচারক যেন ক্ষমতাবানের নয়, ন্যায়ের কাছে দায়বদ্ধ থাকে। ৪. সাংবাদিক যেন সত্য বলার জন্য কারাগারে না যায় এবং ৫. রাজনৈতিক কর্মী যেন মতপ্রকাশের জন্য নিখোঁজ না হয়। অর্থাৎ, মানবাধিকার হলো রাষ্ট্রের ক্ষমতা ও নাগরিকের স্বাধীনতার মধ্যে একটি নৈতিক ভারসাম্য।
ইতিহাস বলে, কর্তৃত্ববাদী শাসনে প্রথম আঘাত আসে বাকস্বাধীনতার উপর। কারণ মুক্ত মতপ্রকাশ থাকলে ক্ষমতার জবাবদিহি তৈরি হয়। বাংলাদেশে সাংবাদিক, লেখক, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট এবং স্বাধীন কণ্ঠগুলো ক্রমাগত চাপের মুখে। ডিজিটাল আইন ও নজরদারি ব্যবস্থাকে অপরাধ দমনের বদলে অনেক ক্ষেত্রে সমালোচনা দমনের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এর ফলে দুর্নীতি বাড়ে, নীতিগত ব্যর্থতা আড়ালে থাকে এবং অন্যায় অদৃশ্য হয়ে যায়। একটি রাষ্ট্র যদি নাগরিকের সৎ প্রতিক্রিয়া না পায়, তবে সে রাষ্ট্র ধীরে ধীরে আত্মবিনাশী ভুল করতে শুরু করে।
মানবাধিকারকে যদি সত্যিকার অর্থে গুরুত্ব দেওয়া হয়, তবে রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহারে যে বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকা উচিত তা হলো—১. আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংস্কার ও জবাবদিহির নিশ্চয়তা। ২. গুম ও নির্যাতনের সত্য উদঘাটন ও বিচার নিশ্চিত করা। ৩. বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা প্রদান। ৪. দমনমূলক ডিজিটাল আইনের সংস্কার এবং ৫. স্বাধীন ও শক্তিশালী মানবাধিকার কমিশন গঠন করার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো।
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করে কে ক্ষমতায় আসবে, তার উপর নয়, বরং কীভাবে ক্ষমতা পরিচালিত হবে তার উপর। মানবাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রাজনৈতিক ক্ষমতার শত্রু নয়—এগুলোই বৈধ ও টেকসই রাষ্ট্রক্ষমতার ভিত্তি। মানুষ আর আলংকারিক প্রতিশ্রুতি চায় না। তারা চায় এমন একটি রাষ্ট্র, যেখানে পুলিশ ভয়ের নয়, আদালত ভরসার এবং সরকার জনগণের অধিকার রক্ষক হবে, শাসক নয়। কারণ গণতন্ত্র টিকে থাকে ব্যালট বাক্সে নয়, টিকে থাকে নাগরিকের মর্যাদায়।
রিপোর্টারের নাম 

























