## নতুন সরকারের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ: অর্থনীতি পুনরুদ্ধার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা
ঢাকা: দীর্ঘ দুই দশকের প্রতীক্ষা, অক্লান্ত সংগ্রাম ও নানা বাধা পেরিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরে এসেছে। ২০০১-২০০৬ মেয়াদে সরকার পরিচালনার পর, নানান চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে দলটি এবার ২৬ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে ২১২ আসনে ভূমিধস বিজয় অর্জন করে। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৪৯ জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী শপথ নিয়েছেন। এবারের ১৩তম জাতীয় নির্বাচন তুলনামূলকভাবে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা বহু পূর্বানুমান ও সংশয়কে মিথ্যা প্রমাণ করেছে। বড় ধরনের সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি এবং অনেক আসনে অল্প ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হওয়া প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের ইঙ্গিত দেয়। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীদের শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকার। নির্বাচনে ৬৯ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রমাণ করে যে, রাষ্ট্রকাঠামো সংস্কারের প্রশ্নে জনগণ সরাসরি তাদের মতামত দিয়েছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকারের গঠন কেবল ক্ষমতার পালাবদলই নয়, বরং রাজনৈতিক সংস্কৃতির এক সম্ভাব্য পরিবর্তনেরও সূচনা করেছে।
অর্থনৈতিক সংকট ও বহুমুখী চ্যালেঞ্জ:
বর্তমান বাংলাদেশ বহুমাত্রিক সংকটে জর্জরিত। নতুন সরকার এমন এক সময়ে দায়িত্ব গ্রহণ করছে যখন পূর্ববর্তী সরকারের সীমাহীন দুর্নীতির ফলে অর্থনীতি চরমভাবে বিপর্যস্ত। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিদেশি বিনিয়োগে ভাটা, ব্যবসা-বাণিজ্যে মন্দাভাব এবং দুর্বল শাসনকাঠামো। এই পরিস্থিতিতে বিএনপি সরকারের সামনে লক্ষ্য পূরণ করা এক বিরাট চ্যালেঞ্জ। বর্তমান প্রেক্ষাপটে দ্রুত সমাধানের অপেক্ষায় থাকা প্রধান সমস্যাগুলো হলো—ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনর্গঠন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, সুশাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারের প্রথম কাজ হবে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনা। দুর্নীতির সিন্ডিকেট ভেঙে একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক শাসন উপহার দেওয়া। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা, শিক্ষিত বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি, ব্যাংক খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং নিত্যপণ্যের সরবরাহ চেইন সচল করা অত্যন্ত জরুরি। জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আইন অনুযায়ী কাজ করতে হবে। এই মুহূর্তে বড় কোনো অবকাঠামোগত প্রকল্পের চেয়ে নীতিনির্ধারণী সংস্কার, বেকারত্ব দূরীকরণ এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের ওপর সর্বোচ্চ জোর দেওয়া প্রয়োজন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং কঠোরভাবে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনাই হবে সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। দেশের প্রতিটি সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সরকারি বিধিবদ্ধ নিয়মে পরিচালিত হবে এবং আইনের শাসনই হবে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি। দলীয় বা রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার কাম্য নয়।
ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ:
বাংলাদেশ আজ এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। একদিকে ভূ-রাজনৈতিক টানাপোড়েন, অন্যদিকে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত। ১৩তম সংসদ নির্বাচন সেই সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। এখন নতুন সরকারের দায়িত্ব হলো প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের মাধ্যমে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করা। আঞ্চলিক শক্তির প্রতিযোগিতা ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশকে বাস্তববাদী এবং বহুমাত্রিক কূটনীতি অনুসরণ করতে হবে। বিনিয়োগ আকর্ষণ, রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণ এবং শ্রমবাজার সুরক্ষা—এসব ক্ষেত্রে কূটনৈতিক দক্ষতা অপরিহার্য।
ব্যাংকিং খাতে সুশাসন ও ঋণ সংকট:
নতুন সরকারের জন্য অর্থনীতিতে বড় চ্যালেঞ্জ হলো দীর্ঘ সময়ের অস্থিরতা, অনিয়ম ও লুটপাটে ধসে পড়া অর্থনৈতিক সংকট থেকে ধীরে ধীরে স্থিতিশীলতার পথে দেশকে পরিচালিত করা। পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে ব্যাংক খাতের দুরবস্থা, বিনিয়োগ মন্দা, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, রাজস্ব ঘাটতি, রপ্তানি আয়ে ভাটা এবং বৈদেশিক ঋণে জর্জরিত হয়ে পড়েছিল দেশ। শেয়ারবাজারেও ধস নামে। ২০২২ সালে প্রতি ডলারের বিনিময় হার ছিল ৮৫ টাকা, কিন্তু বাজারে টাকা ও ডলার সংকটের কারণে দুই বছরের ব্যবধানে সেই ডলারের দর বেড়ে দাঁড়ায় ১২৪ টাকায়। ডলারের দর ধরে রাখার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক বাজার থেকে ডলার কিনছে। বিগত সরকার বাজার স্থিতিশীল রাখার কথা বললেও, ২০২২ সালের মাঝামাঝি থেকে টানা তিন বছর বাংলাদেশ ব্যাংক ২৬ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভ বিক্রি করেছিল।
আওয়ামী লীগ আমলে বাণিজ্যিক ভারসাম্যেও বড় ধরনের ঘাটতি ছিল। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বৈদেশিক লেনদেনে বাণিজ্যিক ঘাটতির পরিমাণ ছিল ৬৬০ কোটি ডলার। মূলত রপ্তানি কমে আমদানি বৃদ্ধি হওয়ার কারণে লেনদেন ভারসাম্যে ঘাটতি হয়েছে। লেনদেন ঘাটতি নিরসনে রপ্তানির পরিমাণ বৃদ্ধি করতে হবে। বিগত হাসিনা সরকারের শুরুতে ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল সাড়ে ২২ হাজার কোটি টাকা। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় ৬ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে কার্পেটের নিচে লুকানো খেলাপি ঋণের আসল তথ্য বেরিয়ে আসে।
ব্যাংক খাতে সুশাসন নিশ্চিত করার মাধ্যমে খেলাপি ঋণের পরিমাণ কমিয়ে আনা নতুন সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশ সরকারের দেশি-বিদেশি ঋণ প্রায় ২৪ লাখ কোটি টাকা ছুঁয়েছে। বর্তমানে বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ১৩ লাখ ৬৭ হাজার ৮৬৪ কোটি টাকা এবং দেশি ব্যাংক খাত থেকে নেওয়া ঋণ ১০ লাখ ২৬ হাজার ৮৪৬ কোটি টাকা। মাথাপিছু প্রায় ৭৮ হাজার টাকা বিদেশি ঋণ রেখে যায় বিগত সরকার। দেশি-বিদেশি ঋণের বোঝা আগামী সরকারের জন্য একটি বড় সংকট তৈরি করতে পারে। সুতরাং অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে সক্ষমতা অর্জন করার জন্য দেশি-বিদেশি ঋণের বোঝা কমিয়ে আনতে হবে।
অর্থনৈতিক সংস্কার ও স্থিতিশীলতা:
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি খাদের কিনারে থাকা অর্থনীতি পেয়েছিল। দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে সেই অর্থনীতিকে খাদে পড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করতে হবে। প্রয়োজনে ধারাবাহিক সংস্কার ও পরিকল্পিত উদ্যোগের মাধ্যমে অর্থনীতিকে পূর্ণগতিতে ফিরিয়ে আনতে হবে। ব্যাংক খাতসহ আর্থিক খাতের দীর্ঘদিনের অনিয়ম, লুটপাট ও দুর্নীতির প্রবণতা বন্ধের পদক্ষেপ নিতে হবে। ব্যাংক খাতকে ধীরে ধীরে সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে দীর্ঘদিনের অনিয়ন্ত্রিত ঋণ বিতরণ বন্ধ করতে হবে। সরকারি-বেসরকারি ব্যাংকগুলোর আর্থিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংককে প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে।
অর্থনীতির ক্ষতগুলো চিহ্নিত করে লুটপাট ও টাকা পাচার বন্ধ করতে হবে। শক্তিশালী বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দেশের আমদানি ব্যয়, ঋণ পরিশোধ ও সামগ্রিক আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাহায্য করে। সেজন্য হুন্ডির প্রভাব কমিয়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি করতে হবে। বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধির মাধ্যমে রিজার্ভ বৃদ্ধি এবং টাকার মান ধরে রাখতে হবে। আমদানি কমিয়ে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্থিতিশীল রাখতে হবে। রিজার্ভ ঠিক রাখতে দেশীয় পণ্যের ব্যবহারের প্রতি মনোযোগ ও আকর্ষণ বৃদ্ধি করতে হবে। আওয়ামী লীগের শেষ সময়ে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ১১.৬ শতাংশ, যা বাস্তবে আরও বেশি। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সঠিক মুদ্রানীতি প্রণয়ন করতে হবে। আন্ডার ইনভয়েস ও ওভার ইনভয়েসের মাধ্যমে টাকা পাচার এবং ভুয়া আমদানিসহ নানা উপায়ে যাবতীয় অর্থ পাচার বন্ধ করার উদ্যোগ নিতে হবে। অন্যদিকে, চলতি বছরের নভেম্বরে এলডিসি উত্তরণের কথা রয়েছে বাংলাদেশের। এলডিসি থেকে উত্তরণের ফলে রপ্তানিসহ সামগ্রিক অর্থনীতিতে একটি নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হবে, যা অনাগত সরকারকে দক্ষতার সঙ্গে মোকাবিলা করতে হবে।
সুশাসন, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন:
অর্থনীতিবিদদের মতে, আর্থিক খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং দুর্নীতির সুযোগ বন্ধ করার মাধ্যমে অর্থনীতির ভিত আরো মজবুত করা নতুন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ প্রধান কাজ। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের জন্য একটি নিরাপদ ও স্বচ্ছ পরিবেশ তৈরি করতে হবে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, উদ্যোক্তা খাত ও উৎপাদন খাতকে উৎসাহিত করার মাধ্যমে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে হবে। ভবিষ্যতে সঠিক পরিকল্পনা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে অর্থনীতি দ্রুতগতিতে প্রবৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে। অর্থনীতির মূল ভিত্তি শক্তিশালী করার জন্য প্রয়োজন অগ্রাধিকার নির্ধারণ করে সুশাসন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও উৎপাদন সম্প্রসারণের মাধ্যমে অর্থনীতিকে টেকসই প্রবৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।
সামনে আসছে পবিত্র রমজান মাস। রমজানে দ্রব্যমূল্য স্বাভাবিক রাখতে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। পথে পথে চাঁদাবাজি ও অবৈধ সিন্ডিকেটের কারসাজি বন্ধ করার উদ্যোগ নিতে হবে। এই সরকার যদি ন্যায্যমূল্যে রমজানের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে, তবে তা হবে জনগণের কাছে দেওয়া নতুন সরকারের প্রথম উপহার ও সফলতা।
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা:
রাষ্ট্র ১৮ কোটি বাংলাদেশির—এর বাইরে ভাবার বা যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। সবার কথা মাথায় রেখেই জনপ্রতিনিধি ও নতুন সরকারকে একটি উন্নয়ন ও কল্যাণকর রাষ্ট্র গঠনে উদ্যোগী হতে হবে। এতেই দেশের মানুষ শান্তি পাবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ও দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত ঊর্ধ্বগতির লাগাম টেনে ধরা নতুন সরকারের প্রথম ও প্রধান কাজ হবে। এতে সফল হলে জনগণ অন্য কোনো বিষয়ে মাথা ঘামাবে না। অন্তর্বর্তী সরকারের রেখে যাওয়া আর্থিক খাতের সংস্কারের রূপরেখা পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা গেলে আগামী দিনে অর্থনীতির চাকা সহজেই ঘুরে যাবে। বিরোধী মতকে শত্রু নয়, প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখা—এই মানসিকতার পরিবর্তনই গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের চর্চা। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শক্তিশালী ও স্বাধীন সংবাদমাধ্যম ছাড়া কোনো সরকারই জবাবদিহিতামূলক হতে পারে না। নতুন সরকারের সামনে পথটি মসৃণ নয়, তবে দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে এই ধ্বংসস্তূপ থেকেই একটি আধুনিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার সংস্কৃতিকে চিরতরে সমাহিত করে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র গঠনের মাধ্যমে বাংলাদেশ হারানো গৌরব ফিরে পাবে—এটাই আজকের দিনের প্রত্যাশা।
রিপোর্টারের নাম 

























