সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় লিয়াকতগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজে নির্বাচনী (টেস্ট) পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়ে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার দাবিতে স্কুলে তালা লাগানোর এবং শিক্ষকদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করার অভিযোগ উঠেছে এক দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর নাম আরিফ, যিনি লক্ষীপুর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি আব্দুল আজিজের ছেলে।
মঙ্গলবার সকালে আরিফ দলবল নিয়ে শিক্ষকদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন যাতে তাকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পরীক্ষায় অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানানো হলে তিনি প্রধান শিক্ষকের কার্যালয়ে তালা মেরে দেন এবং হুঁশিয়ারি দেন যে স্কুল খোলা যাবে না। শিক্ষকরা যখন এই ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন, তখন অভিযুক্ত শিক্ষার্থী অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন বলেও অভিযোগ।
ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হাসিনা মমতাজ এ বিষয়ে জানান, তাদের বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নির্বাচনী পরীক্ষায় যারা চার বিষয়ের বেশি ফেল করবে, তারা মূল এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে না। দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আরিফ সাত বিষয়ে ফেল করায় তাকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়নি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি বিদ্যালয়ে এসে শিক্ষকদের সঙ্গে অসদাচরণ করেন এবং একাধিক কক্ষে তালাবদ্ধ করে দেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী আরিফের বাবা আব্দুল আজিজ তালা মারার ঘটনা অস্বীকার করেন। তিনি উল্টো ভিডিও কে দিয়েছে, সে বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন বলে দাবি করেন।
তবে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী আরিফ ঘটনাটি স্বীকার করে তার নিজস্ব যুক্তি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘সকল বিষয়ে যে ১৬ জন শিক্ষার্থী পাস করেছে, শুধু তারা পরীক্ষা দেবে। এর বাইরে কাউকে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দিলে আমাদেরও দিতে হবে।’ আরিফ আরও উল্লেখ করেন যে, চার বিষয়ে ফেল করা ছাত্ররা ছাড় পেলেও তিনি পাননি, তাই তিনি তালা দিয়েছেন।
রিপোর্টারের নাম 

























