আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে অবৈধ অস্ত্রের উদ্ধারকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (অব.) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। সম্প্রতি চট্টগ্রামে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সেলের এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই গুরুত্বারোপ করেন।
উল্লেখ্য, গত বছর ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের সময় থানা থেকে লুট হওয়া ১৫ শতাংশ আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৩০ শতাংশ গোলাবারুদ এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। নির্বাচন কমিশনার সানাউল্লাহ এই অ-উদ্ধারকৃত অস্ত্রশস্ত্র দ্রুত উদ্ধারের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন।
তিনি জানান, আসন্ন নির্বাচনে রোহিঙ্গাদের মাধ্যমে অস্ত্রের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে রোহিঙ্গা ক্যাম্প এবং সীমান্ত এলাকা সিল করে দেওয়া হবে। একইসঙ্গে, নিরাপত্তা জোরদার করতে বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্টের সংখ্যাও বাড়ানো হবে। নির্বাচন কমিশনার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের প্রতি সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়ে বলেন, এক এলাকার সন্ত্রাসীরা যাতে অন্য এলাকায় গিয়ে সুরক্ষিত আশ্রয় নিতে না পারে, সেদিকে কঠোর নজর রাখতে হবে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর দেশের বিভিন্ন থানা, ফাঁড়ি ও পুলিশি স্থাপনায় হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছিল। সেসময় পুলিশের ৫ হাজার ৭৫৩টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৬ লাখ ৫১ হাজার ৮৩২টি গোলাবারুদ লুট হয়। গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর থেকে এসব লুট হওয়া অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারে যৌথ অভিযান শুরু হলেও এখনও পর্যন্ত সম্পূর্ণ অস্ত্র উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে অবশিষ্ট অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছে নির্বাচন কমিশন।
রিপোর্টারের নাম 

























