শিক্ষক-কর্মচারীদের টানা আন্দোলনের মুখে সরকার এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বাড়িভাড়া ভাতা মূল বেতনের ৫ শতাংশ হারে বাড়িয়েছে, যা সর্বনিম্ন ২০০০ টাকা ধার্য করা হয়েছে। আজ রবিবার সকালে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের প্রবিধি অনুবিভাগের উপসচিব মরিয়ম মিতুর স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে নিশ্চিত করা হয়েছে যে, বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়িভাড়া ভাতা বৃদ্ধির বিষয়ে অর্থ বিভাগ সম্মতি দিয়েছে। তবে সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারের বিদ্যমান বাজেটের সীমাবদ্ধতা বিবেচনা করে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত সাপেক্ষে মূল বেতনের ৫ শতাংশ হারে (সর্বনিম্ন ২০০০ টাকা) এই ভাতা প্রদান করা হবে।
শর্তসমূহে বলা হয়েছে— এই বর্ধিত বাড়িভাড়া ভাতা পরবর্তী জাতীয় বেতন স্কেলে সমন্বয় করতে হবে। এছাড়া, শিক্ষক-কর্মচারীদের নিয়োগ অবশ্যই ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২১’ সহ বিভিন্ন সময়ের জন্য সরকার কর্তৃক জারি করা সংশ্লিষ্ট নীতিমালা এবং প্রজ্ঞাপন অনুসারে হতে হবে।
এছাড়াও, এই ভাতা বৃদ্ধির কারণে এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষক/কর্মচারীরা কোনো বকেয়া প্রাপ্য হবেন না। ভাতা প্রদানের ক্ষেত্রে সকল আর্থিক বিধি-বিধান কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। ভবিষ্যতে কোনো অনিয়ম দেখা গেলে বিল পরিশোধকারী কর্তৃপক্ষকেই সেই অনিয়মের জন্য দায়ী থাকতে হবে। প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়কে জি.ও (সরকারি আদেশ) জারি করে তার চারটি কপি অর্থ বিভাগে অবশ্যই পৃষ্ঠাংকনের জন্য পাঠাতে হবে।
এই আদেশটি আগামী ১ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ থেকে কার্যকর হবে।
প্রসঙ্গত, বাড়িভাড়া ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে শিক্ষকরা গত আট দিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছিলেন। গতকাল শনিবারও তারা আমরণ অনশনের পাশাপাশি কালো পতাকা মিছিল করেন। এমনকি, আজকের দিনেও (রবিবার) দুপুর ১২টায় শিক্ষা ভবন অভিমুখে থালা-বাটি হাতে ‘ভুখা মিছিল’ করার কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন। এমন আন্দোলনের মুখে অবশেষে সরকার এই প্রজ্ঞাপন জারি করলো।
রিপোর্টারের নাম 




















