চীনের পুলিশ বাহিনীতে এতদিন আমদানি করা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরের প্রাধান্য ছিল। তবে এবার দেশীয় খুনমিং জাতের কুকুরের ব্যবহার বাড়ানো হবে বাহিনীর বিভিন্ন কাজে। জননিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক ঘোষণায় এমনটাই জানা গেছে।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীতে থাকা কুকুরের জিনগত পরিচয় থাকবে অটুট এবং এ খাতেও স্বনির্ভরতা অর্জন করবে চীন। পাশাপাশি এ জাতের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুরের একটি জাতীয় ব্র্যান্ডও গড়ে তুলতে পারবে দেশটি।
পঞ্চাশের দশকে ইয়ুননান প্রদেশের খুনমিংয়ে স্থানীয় কুকুরের সঙ্গে আলসেশিয়ান কুকুরের সংকরায়নে জন্ম হয় খুনমিং কুকুরের। এটি চীনের প্রথম এবং একমাত্র পুলিশ ডগ, যার আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও মেধাস্বত্ব রয়েছে।
খুনমিং পুলিশ ডগ বেস-এর প্রশিক্ষক লোং লিং জানান, এই জাতের কুকুরের দক্ষতা অসাধারণ। মাদক ও বিস্ফোরক দ্রব্য শনাক্ত, আক্রমণ ও ধাওয়া করতে এরা খুবই দক্ষ। একই সঙ্গে এরা অত্যন্ত অনুগত।
বহুমুখী সক্ষমতার কারণে খুনমিং কুকুর দীর্ঘদিন ধরে চীনে জননিরাপত্তা, জরুরি ব্যবস্থাপনা, কাস্টমসের চোরাচালানবিরোধী অভিযানসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে।
এখন এ জাতের কুকুরের প্রধান উৎস খুনমিং পুলিশ ডগ বেস। এখানেই প্রশিক্ষকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে গড়ে তোলা হয়।
খুনমিং কুকুরের আনুগত্য নিয়ে সন্তুষ্ট চীনা পুলিশ। ছবি : সিএমজি
প্রশিক্ষকদের মতে, খুনমিং কুকুরের শারীরিক সক্ষমতা, সহনশীলতা ও ঘ্রাণশক্তির পাশাপাশি সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্যটি হলো এদের আনুগত্য।
লোং লিং আরও জানান, পূর্ণাঙ্গ আস্থা তৈরি হলে খুনমিং কুকুর ভীষণ সাহসী হয়ে ওঠে। এর সাহসিকতা আমাদের দরকার, তবে এদের আনুগত্যকেই বেশি মূল্য দিই।
সম্প্রতি, খুনমিং কুকুর নিয়ে পুলিশি অভিযানের অনুমোদন পেয়েছেন লোং। তিনি এগুলোকে বিভিন্ন ঘটনাস্থলে নিয়ে অপরাধমূলক মামলার সমাধান এবং অপরাধ দমন সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রতিযোগিতাতে অংশ নেবেন।
সূত্র: সিএমজি
রিপোর্টারের নাম 

























