ঢাকা ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

এলডিপি থেকে বহিষ্কার: আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি হাসান সারওয়ার্দীর

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩০:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৩৪ বার পড়া হয়েছে

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) থেকে সাময়িক বহিষ্কারের সিদ্ধান্তকে গঠনতন্ত্র পরিপন্থি, অগণতান্ত্রিক ও এখতিয়ার বহির্ভূত বলে দাবি করেছেন, দলটির সদ্য বহিষ্কৃত প্রেসিডিয়াম সদস্য লে. জেনারেল (অব.) ড. চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী বীর বিক্রম। লিখিত পত্র পাওয়ার পর তিনি এ বিষয়ে চূড়ান্ত আইনগত সিদ্ধান্ত নেবেন বলেও জানিয়েছেন।

শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এই অভিযোগ করেন।

বিজ্ঞপ্তিতে হাসান সারওয়ার্দী উল্লেখ করেন, আজ দুপুরে সংবাদপত্রের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন যে, দলের মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদের সই করা এক পত্রে তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কারের কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, তিনি বিএনপি সম্পর্কে ফেসবুকে বিভ্রান্তিকর স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তবে সারওয়ার্দী দাবি করেন, তিনি নিজে কোনও স্ট্যাটাস দেননি; বরং দলের আরেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. নিয়ামুল বশিরের একটি পোস্টের নিচে মন্তব্য করেছিলেন মাত্র।

সারওয়ার্দী বলেন, “নিজের মত প্রকাশ করা আমার সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক অধিকার। ওই মন্তব্যে আমি বলেছিলাম— বিএনপির সাথে আমাদের কোনো জোট বা লিখিত চুক্তি নেই, ছিল বিশ্বাস ও সমঝোতা। কিন্তু বিএনপি সেই বিশ্বাস ভঙ্গ করেছে। আমার এই বক্তব্যে এলডিপির আদর্শ বা নীতির বিরুদ্ধে কোনও কথা ছিল না।”

বহিষ্কারের আইনি দিক তুলে ধরে তিনি বলেন, “এই আদেশ এলডিপির গঠনতন্ত্রের ৬.৩ ধারার সম্পূর্ণ পরিপন্থি। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রেসিডিয়াম সদস্যের লিখিত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই কেবল কারও বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যায়। অথচ এ বিষয়ে কোনও প্রেসিডিয়াম বৈঠক হয়নি এবং আমাকেও কিছু জানানো হয়নি।”

চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী আরও অভিযোগ করেন, “অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরতান্ত্রিক কায়দায় এই আদেশ দেওয়া হয়েছে। এখনো আমি কোনও লিখিত চিঠি পাইনি, অথচ গণমাধ্যমে বিষয়টি প্রচার করে আমার সম্মান ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। লিখিত পত্র পাওয়ার পর আমি এ বিষয়ে চূড়ান্ত আইনগত সিদ্ধান্ত নেব।”

তিনি দলের মহাসচিবের এমন কর্মকাণ্ডকে ‘অপ্রত্যাশিত ও দুঃখজনক’ বলে অভিহিত করেছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মুন্সীগঞ্জে পৃথক বজ্রপাতে কিশোরসহ দুইজনের প্রাণহানি

এলডিপি থেকে বহিষ্কার: আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি হাসান সারওয়ার্দীর

আপডেট সময় : ০৮:৩০:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) থেকে সাময়িক বহিষ্কারের সিদ্ধান্তকে গঠনতন্ত্র পরিপন্থি, অগণতান্ত্রিক ও এখতিয়ার বহির্ভূত বলে দাবি করেছেন, দলটির সদ্য বহিষ্কৃত প্রেসিডিয়াম সদস্য লে. জেনারেল (অব.) ড. চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী বীর বিক্রম। লিখিত পত্র পাওয়ার পর তিনি এ বিষয়ে চূড়ান্ত আইনগত সিদ্ধান্ত নেবেন বলেও জানিয়েছেন।

শনিবার (২০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এই অভিযোগ করেন।

বিজ্ঞপ্তিতে হাসান সারওয়ার্দী উল্লেখ করেন, আজ দুপুরে সংবাদপত্রের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন যে, দলের মহাসচিব ড. রেদোয়ান আহমেদের সই করা এক পত্রে তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। বহিষ্কারের কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, তিনি বিএনপি সম্পর্কে ফেসবুকে বিভ্রান্তিকর স্ট্যাটাস দিয়েছেন। তবে সারওয়ার্দী দাবি করেন, তিনি নিজে কোনও স্ট্যাটাস দেননি; বরং দলের আরেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. নিয়ামুল বশিরের একটি পোস্টের নিচে মন্তব্য করেছিলেন মাত্র।

সারওয়ার্দী বলেন, “নিজের মত প্রকাশ করা আমার সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক অধিকার। ওই মন্তব্যে আমি বলেছিলাম— বিএনপির সাথে আমাদের কোনো জোট বা লিখিত চুক্তি নেই, ছিল বিশ্বাস ও সমঝোতা। কিন্তু বিএনপি সেই বিশ্বাস ভঙ্গ করেছে। আমার এই বক্তব্যে এলডিপির আদর্শ বা নীতির বিরুদ্ধে কোনও কথা ছিল না।”

বহিষ্কারের আইনি দিক তুলে ধরে তিনি বলেন, “এই আদেশ এলডিপির গঠনতন্ত্রের ৬.৩ ধারার সম্পূর্ণ পরিপন্থি। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রেসিডিয়াম সদস্যের লিখিত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই কেবল কারও বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যায়। অথচ এ বিষয়ে কোনও প্রেসিডিয়াম বৈঠক হয়নি এবং আমাকেও কিছু জানানো হয়নি।”

চৌধুরী হাসান সারওয়ার্দী আরও অভিযোগ করেন, “অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরতান্ত্রিক কায়দায় এই আদেশ দেওয়া হয়েছে। এখনো আমি কোনও লিখিত চিঠি পাইনি, অথচ গণমাধ্যমে বিষয়টি প্রচার করে আমার সম্মান ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। লিখিত পত্র পাওয়ার পর আমি এ বিষয়ে চূড়ান্ত আইনগত সিদ্ধান্ত নেব।”

তিনি দলের মহাসচিবের এমন কর্মকাণ্ডকে ‘অপ্রত্যাশিত ও দুঃখজনক’ বলে অভিহিত করেছেন।