গণসংহতি আন্দোলনের নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল বলেছেন, শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের গ্রেফতার করে তদন্ত ও বিচারের আওতায় আনাটা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা দায়িত্ব ছিল। হাদির মৃত্যুর খবর যখন এলো, তখন দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক অবস্থানে রেখে যাবতীয় হামলা ঠেকানোর দায়িত্ব ছিল তার। কিন্তু তাতে তিনি শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয়েছেন। গণমাধ্যমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেননি। অবিলম্বে তাকে পদত্যাগ করতে হবে।
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রথম আলো, ডেইলি স্টার ও ছায়ানটের কার্যালয় পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দলের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য ফিরোজ আহমেদ, তাসলিমা আখতার ও হাসান মারুফ রুমী।
আবুল হাসান রুবেল বলেন, শরিফ ওসমান হাদি যখন ইতিবাচক ধারায় গণতান্ত্রিক পথে তার রাজনীতি বিনির্মাণ করছিলেন, তখন তিনি হামলার শিকার হলেন। নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে জনগণের মধ্যে কাজের মাধ্যমে ওসমান হাদি মানুষের কাছে আপন হয়ে উঠেছিলেন। তার ওপর হামলা দেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতির ওপর আঘাত। অবিলম্বে তার হত্যাকারীদের গ্রেফতার, তদন্ত ও বিচারের আওতায় আনতে হবে।
তাসলিমা আখতার বলেন, এই হামলা বাংলাদেশের গণমাধ্যম, বাকস্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর আঘাত।
ফিরোজ আহমেদ বলেন, হাদির মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশের মানুষ শোকাহত ছিল এবং বিচার দাবি করছিল। কিন্তু সেই শোককে ছাপিয়ে একদল দঙ্গলবাজ পরিকল্পিতভাবে এই প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর হামলা চালিয়েছে। তাদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
একই দিনে গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে গণসংহতি আন্দোলনের (জিএসএস) প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, শরীফ ওসমান হাদিকে হত্যার ঘটনায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণমাধ্যমের ওপর আক্রমণ ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে। পতিত ফ্যাসিস্ট ও তাদের দেশি-বিদেশি দোসররা নৈরাজ্য তৈরি করে নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক উত্তরণের প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে। তাদের রুখে দেওয়ার জন্য জনগণের বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।
রিপোর্টারের নাম 























