ঢাকা ০৭:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের ৪ আসনে বিএনপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে ‘বিদ্রোহী’ নেতাকর্মী, ঐক্যে টানাপোড়েন

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০৩:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৮ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটিতে বিএনপি প্রার্থী ঘোষণা করলেও দলীয় প্রার্থীদের ঘিরে ঐক্যবদ্ধ কর্মকাণ্ড দেখা যাচ্ছে না। প্রায় সব আসনেই মনোনয়নবঞ্চিত নেতারা ও তাদের কর্মী-সমর্থকরা সরব হয়ে উঠেছেন। ধানের শীষের প্রার্থীরা ঐক্যের আহ্বান জানালেও তাতে সাড়া মিলছে না; বরং কেউ কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ারও আভাস দেওয়ায় প্রার্থীরা ‘অস্বস্তিতে’ পড়েছেন।

৩ নভেম্বর স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে সারাদেশে ২৩৭ আসনে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়। নারায়ণগঞ্জের আসনগুলোতে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুসারে, নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে মোস্তাফিজুর রহমান দিপু ভূঁইয়া, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে নজরুল ইসলাম আজাদ, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে আজহারুল ইসলাম মান্নান এবং নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে মাসুদুজ্জামান মাসুদকে প্রার্থী করা হয়েছে। তবে শিল্প অধ্যুষিত ফতুল্লা থানা এলাকা নিয়ে গঠিত নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে এখনও প্রার্থী ঘোষণা করেনি দল।

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিদ্রোহ

সদর ও বন্দর এলাকা নিয়ে গঠিত নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ী মাসুদুজ্জামান মাসুদকে মনোনয়ন দেওয়ায় দলের অন্তত ১০ জন মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতা ক্ষুব্ধ হয়েছেন। সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন খান, সদস্যসচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপুসহ অন্যান্য মনোনয়নপ্রত্যাশী প্রকাশ্য কর্মসূচিতে ধানের শীষের প্রার্থী মাসুদুজ্জামানের বিরুদ্ধে প্রচার চালাচ্ছেন। তাদের ভাষ্য, মাসুদুজ্জামান বিএনপির ‘কেউ নন’ এবং তিনি সুসময়ে এসে মনোনয়ন ‘বাগিয়ে’ নিয়েছেন। মনোনয়ন না পাওয়া সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম মনে করেন, পরীক্ষিত প্রার্থী না হলে কঠিন এই নির্বাচনে জয় পাওয়া কষ্টকর হবে। তবে মাসুদুজ্জামান আশাবাদী যে সবাই দলের স্বার্থে তার পক্ষেই কাজ করবেন। এদিকে, মনোনয়ন বঞ্চিত চার নেতা একটি জরুরি সংবাদ সম্মেলনে মাসুদুজ্জামানের মনোনয়ন বাতিলের দাবিও জানিয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জ-৩: মনোনয়ন বাতিলের দাবি

সোনারগাঁ উপজেলা নিয়ে গঠিত নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সীমানা পুনঃনির্ধারণের পর সেখানে সোনারগাঁর পাশাপাশি সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকার স্থানীয় বিএনপি নেতারাও মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে সামনে আসেন। তাদের মধ্যে দল বেছে নেয় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আজহারুল ইসলাম মান্নানকে। এর ফলে বাদ পড়া সাবেক প্রতিমন্ত্রী রেজাউল করিম, সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মামুন মাহমুদসহ সাত নেতা দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে মান্নানের বিরুদ্ধে একজোট হন। তারা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে লিখিতভাবে মান্নানের মনোনয়ন বাতিলের দাবি জানান এবং মান্নানকে নিয়ে নির্বাচন করলে জয় ‘সম্ভব নয়’ বলে উল্লেখ করেন। তবে মান্নান এই কর্মকাণ্ডকে ‘ষড়যন্ত্র’ হিসেবে দেখছেন এবং তার প্রচার অব্যাহত রয়েছে। দলের পক্ষ থেকে এই ‘বিদ্রোহী’ নেতাদের কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ-৪: প্রার্থী শূন্য আসন

ফতুল্লা থানা এলাকা ও সদর থানার দুটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে এখনও কোনো প্রার্থী দেয়নি বিএনপি। এখানে সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী, জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি মোহাম্মদ শাহ আলম, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাশুকুল ইসলাম রাজীবসহ বেশ কয়েকজন নেতা মনোনয়নপ্রত্যাশী। মনোনয়নপ্রত্যাশীরা কেন্দ্রের দৃষ্টি আকর্ষণে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। এই আসনটি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটের শরিক দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলামকে ছেড়ে দিয়েছিল বিএনপি। এবারও জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মনির হোসাইন কাসেমী জোটের মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন।

নারায়ণগঞ্জ-২: তীব্র বিরোধিতা

শিল্পসমৃদ্ধ আড়াইহাজার উপজেলা নিয়ে গঠিত নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম আজাদ। মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকেই দলের সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান আঙ্গুর, সহঅর্থ বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান ও মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক পারভীন আক্তারসহ নেতাকর্মীদের তীব্র বিরোধিতার মুখে পড়েছেন তিনি। মনোনয়ন না পাওয়া নেতারা আজাদের মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার দাবিতে রাস্তায় নামেন এবং এক মঞ্চে এসে দলের প্রতি আহ্বান জানান। মাহমুদুর রহমান হুঁশিয়ারি দেন যে, দল মনোনয়ন পুনর্বিবেচনা না করলে তারাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তবে আজাদ দলের স্বার্থে সবাইকে শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জ-১: বলয়ভিত্তিক দ্বন্দ্ব

রূপগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী করেছে মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপুকে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এখানে মনোনয়ন পেয়েছিলেন মনিরুজ্জামান মনির। দিপু মনোনয়ন পেলেও প্রচারে পাচ্ছেন না মনিরুজ্জামানের সমর্থকদের। রূপগঞ্জ বিএনপি দীর্ঘদিন ধরে মনির ও দিপু—এই দুই বলয়ে বিভক্ত ছিল। দিপু সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আশা প্রকাশ করলেও, তৃণমূলের নেতাকর্মীরা বলছেন, মনোনয়নকে কেন্দ্র করে এই তীব্র অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও প্রকাশ্য বিদ্রোহ দলের জন্য সংকট তৈরি করছে এবং এটি স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া বা ‘বিদ্রোহী’ ভূমিকার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

Mahbub

জনপ্রিয় সংবাদ

ইতিবাচক সংবাদের গুরুত্ব ও দক্ষ জনশক্তি গড়ার আহ্বান চিফ হুইপের

নারায়ণগঞ্জের ৪ আসনে বিএনপি প্রার্থীর বিরুদ্ধে ‘বিদ্রোহী’ নেতাকর্মী, ঐক্যে টানাপোড়েন

আপডেট সময় : ১০:০৩:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জের পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটিতে বিএনপি প্রার্থী ঘোষণা করলেও দলীয় প্রার্থীদের ঘিরে ঐক্যবদ্ধ কর্মকাণ্ড দেখা যাচ্ছে না। প্রায় সব আসনেই মনোনয়নবঞ্চিত নেতারা ও তাদের কর্মী-সমর্থকরা সরব হয়ে উঠেছেন। ধানের শীষের প্রার্থীরা ঐক্যের আহ্বান জানালেও তাতে সাড়া মিলছে না; বরং কেউ কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ারও আভাস দেওয়ায় প্রার্থীরা ‘অস্বস্তিতে’ পড়েছেন।

৩ নভেম্বর স্থায়ী কমিটির বৈঠক শেষে সারাদেশে ২৩৭ আসনে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়। নারায়ণগঞ্জের আসনগুলোতে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুসারে, নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে মোস্তাফিজুর রহমান দিপু ভূঁইয়া, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে নজরুল ইসলাম আজাদ, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে আজহারুল ইসলাম মান্নান এবং নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে মাসুদুজ্জামান মাসুদকে প্রার্থী করা হয়েছে। তবে শিল্প অধ্যুষিত ফতুল্লা থানা এলাকা নিয়ে গঠিত নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে এখনও প্রার্থী ঘোষণা করেনি দল।

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিদ্রোহ

সদর ও বন্দর এলাকা নিয়ে গঠিত নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ী মাসুদুজ্জামান মাসুদকে মনোনয়ন দেওয়ায় দলের অন্তত ১০ জন মনোনয়নপ্রত্যাশী নেতা ক্ষুব্ধ হয়েছেন। সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন খান, সদস্যসচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপুসহ অন্যান্য মনোনয়নপ্রত্যাশী প্রকাশ্য কর্মসূচিতে ধানের শীষের প্রার্থী মাসুদুজ্জামানের বিরুদ্ধে প্রচার চালাচ্ছেন। তাদের ভাষ্য, মাসুদুজ্জামান বিএনপির ‘কেউ নন’ এবং তিনি সুসময়ে এসে মনোনয়ন ‘বাগিয়ে’ নিয়েছেন। মনোনয়ন না পাওয়া সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম মনে করেন, পরীক্ষিত প্রার্থী না হলে কঠিন এই নির্বাচনে জয় পাওয়া কষ্টকর হবে। তবে মাসুদুজ্জামান আশাবাদী যে সবাই দলের স্বার্থে তার পক্ষেই কাজ করবেন। এদিকে, মনোনয়ন বঞ্চিত চার নেতা একটি জরুরি সংবাদ সম্মেলনে মাসুদুজ্জামানের মনোনয়ন বাতিলের দাবিও জানিয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জ-৩: মনোনয়ন বাতিলের দাবি

সোনারগাঁ উপজেলা নিয়ে গঠিত নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সীমানা পুনঃনির্ধারণের পর সেখানে সোনারগাঁর পাশাপাশি সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকার স্থানীয় বিএনপি নেতারাও মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে সামনে আসেন। তাদের মধ্যে দল বেছে নেয় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আজহারুল ইসলাম মান্নানকে। এর ফলে বাদ পড়া সাবেক প্রতিমন্ত্রী রেজাউল করিম, সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মামুন মাহমুদসহ সাত নেতা দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে মান্নানের বিরুদ্ধে একজোট হন। তারা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে লিখিতভাবে মান্নানের মনোনয়ন বাতিলের দাবি জানান এবং মান্নানকে নিয়ে নির্বাচন করলে জয় ‘সম্ভব নয়’ বলে উল্লেখ করেন। তবে মান্নান এই কর্মকাণ্ডকে ‘ষড়যন্ত্র’ হিসেবে দেখছেন এবং তার প্রচার অব্যাহত রয়েছে। দলের পক্ষ থেকে এই ‘বিদ্রোহী’ নেতাদের কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ-৪: প্রার্থী শূন্য আসন

ফতুল্লা থানা এলাকা ও সদর থানার দুটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে এখনও কোনো প্রার্থী দেয়নি বিএনপি। এখানে সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী, জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি মোহাম্মদ শাহ আলম, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাশুকুল ইসলাম রাজীবসহ বেশ কয়েকজন নেতা মনোনয়নপ্রত্যাশী। মনোনয়নপ্রত্যাশীরা কেন্দ্রের দৃষ্টি আকর্ষণে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। এই আসনটি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটের শরিক দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলামকে ছেড়ে দিয়েছিল বিএনপি। এবারও জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মনির হোসাইন কাসেমী জোটের মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন।

নারায়ণগঞ্জ-২: তীব্র বিরোধিতা

শিল্পসমৃদ্ধ আড়াইহাজার উপজেলা নিয়ে গঠিত নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম আজাদ। মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকেই দলের সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান আঙ্গুর, সহঅর্থ বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুর রহমান ও মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক পারভীন আক্তারসহ নেতাকর্মীদের তীব্র বিরোধিতার মুখে পড়েছেন তিনি। মনোনয়ন না পাওয়া নেতারা আজাদের মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার দাবিতে রাস্তায় নামেন এবং এক মঞ্চে এসে দলের প্রতি আহ্বান জানান। মাহমুদুর রহমান হুঁশিয়ারি দেন যে, দল মনোনয়ন পুনর্বিবেচনা না করলে তারাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তবে আজাদ দলের স্বার্থে সবাইকে শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জ-১: বলয়ভিত্তিক দ্বন্দ্ব

রূপগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী করেছে মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া দিপুকে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এখানে মনোনয়ন পেয়েছিলেন মনিরুজ্জামান মনির। দিপু মনোনয়ন পেলেও প্রচারে পাচ্ছেন না মনিরুজ্জামানের সমর্থকদের। রূপগঞ্জ বিএনপি দীর্ঘদিন ধরে মনির ও দিপু—এই দুই বলয়ে বিভক্ত ছিল। দিপু সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আশা প্রকাশ করলেও, তৃণমূলের নেতাকর্মীরা বলছেন, মনোনয়নকে কেন্দ্র করে এই তীব্র অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও প্রকাশ্য বিদ্রোহ দলের জন্য সংকট তৈরি করছে এবং এটি স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া বা ‘বিদ্রোহী’ ভূমিকার ইঙ্গিত দিচ্ছে।