মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১০:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

তুরস্কে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ছক: যেভাবে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল ট্রাম্পকে

ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্কে অবস্থানকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে ইরানের সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার এক রোমাঞ্চকর তথ্য ফাঁস হয়েছে। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অত্যন্ত গোপনীয়তা ও বিকল্প কৌশলের মাধ্যমে ট্রাম্পকে আঙ্কারা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। সম্প্রতি প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

গোয়েন্দা তথ্যের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের পক্ষ থেকে ট্রাম্পের ওপর ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সুনির্দিষ্ট হুমকি ছিল। এমনকি ইরানি গোয়েন্দারা ট্রাম্পের আঙ্কারার হোটেলের অবস্থান এবং কক্ষ নম্বর পর্যন্ত জানত। নিরাপত্তা ঝুঁকি এতটাই বেশি ছিল যে, মার্কিন কর্মকর্তারা ট্রাম্পের নিয়মিত বিমান ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’ ব্যবহারের ঝুঁকি নিতে চাননি।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস এক নাটকীয় কৌশল অবলম্বন করে। ট্রাম্পকে সবার সামনে একটি পুরোনো বিমানে তোলা হলেও পরে গোপনে একটি ক্যাটারিং কন্টেইনারে লুকিয়ে বিমানবন্দর থেকে বের করে আনা হয়। সেখান থেকে একটি সামরিক বিমানে করে তিনি তুরস্ক ত্যাগ করেন। উল্লেখ্য, এর আগেও বিভিন্ন সময় ট্রাম্পকে হত্যার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠেছে ইরানের বিরুদ্ধে, যা নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা দীর্ঘদিনের।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১৬ আগস্ট কটিয়াদীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: জামায়াতকে যোগ দেওয়ার আহ্বান মেজর আক্তারের

তুরস্কে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ছক: যেভাবে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল ট্রাম্পকে

আপডেট সময় : ০৮:৫৫:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্কে অবস্থানকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে ইরানের সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার এক রোমাঞ্চকর তথ্য ফাঁস হয়েছে। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অত্যন্ত গোপনীয়তা ও বিকল্প কৌশলের মাধ্যমে ট্রাম্পকে আঙ্কারা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। সম্প্রতি প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

গোয়েন্দা তথ্যের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের পক্ষ থেকে ট্রাম্পের ওপর ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সুনির্দিষ্ট হুমকি ছিল। এমনকি ইরানি গোয়েন্দারা ট্রাম্পের আঙ্কারার হোটেলের অবস্থান এবং কক্ষ নম্বর পর্যন্ত জানত। নিরাপত্তা ঝুঁকি এতটাই বেশি ছিল যে, মার্কিন কর্মকর্তারা ট্রাম্পের নিয়মিত বিমান ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’ ব্যবহারের ঝুঁকি নিতে চাননি।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস এক নাটকীয় কৌশল অবলম্বন করে। ট্রাম্পকে সবার সামনে একটি পুরোনো বিমানে তোলা হলেও পরে গোপনে একটি ক্যাটারিং কন্টেইনারে লুকিয়ে বিমানবন্দর থেকে বের করে আনা হয়। সেখান থেকে একটি সামরিক বিমানে করে তিনি তুরস্ক ত্যাগ করেন। উল্লেখ্য, এর আগেও বিভিন্ন সময় ট্রাম্পকে হত্যার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠেছে ইরানের বিরুদ্ধে, যা নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা দীর্ঘদিনের।