মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১০:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

বিআরটিএ ও সড়ক ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকন্যা জাইমা রহমানের পর্যবেক্ষণ

বাংলাদেশে গাড়ি চালানোর লাইসেন্স পাওয়ার অভিজ্ঞতা ও দেশের সড়ক ব্যবস্থাপনার নানা অসংগতি নিয়ে নিজের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমান। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি সড়ক নিরাপত্তা, আইন প্রয়োগের সীমাবদ্ধতা এবং সরকারি সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির বিষয়টি সামনে আনেন।

জাইমা রহমান তার পোস্টে উল্লেখ করেন, লন্ডনে এক দশকেরও বেশি সময় আগে তিনি প্রথমবার ড্রাইভিং টেস্ট দিয়েছিলেন। সম্প্রতি বাংলাদেশে দ্বিতীয়বার পরীক্ষায় অংশ নিয়ে তিনি দুই দেশের ব্যবস্থাপনার আকাশ-পাতাল পার্থক্য লক্ষ্য করেছেন। তিনি বলেন, লন্ডনের পরীক্ষা তাকে গাড়ি গাড়ি চালানোর জন্য যতটা প্রস্তুত করেছিল, বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা ছিল তার চেয়ে ভিন্ন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন এখানে অনলাইন প্রক্রিয়া থাকা সত্ত্বেও দালালের শরণাপন্ন হলে কাজ দ্রুত হয় এবং পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও কেন লাইসেন্সের জন্য মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হয়?

সড়ক ব্যবহারের সামগ্রিক অভিজ্ঞতা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে তিনি আরও লেখেন, ঢাকার তরুণদের জন্য নিয়ম মেনে চলা কঠিন হয়ে পড়ে যখন ব্যবস্থা নিজেই অনিরাপদ ও অনিশ্চিত থাকে। ফুটপাত দখল, পর্যাপ্ত ক্রসিংয়ের অভাব এবং গণপরিবহনের বিশৃঙ্খলার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যাত্রী বা নতুন চালক হিসেবে সাধারণ মানুষের হাতে কার্যত কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকে না। বিআরটিএ-র সেবাকে আরও জনবান্ধব ও স্বচ্ছ করার প্রয়োজনীয়তার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১৬ আগস্ট কটিয়াদীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: জামায়াতকে যোগ দেওয়ার আহ্বান মেজর আক্তারের

বিআরটিএ ও সড়ক ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকন্যা জাইমা রহমানের পর্যবেক্ষণ

আপডেট সময় : ০৮:৫৫:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশে গাড়ি চালানোর লাইসেন্স পাওয়ার অভিজ্ঞতা ও দেশের সড়ক ব্যবস্থাপনার নানা অসংগতি নিয়ে নিজের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমান। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি সড়ক নিরাপত্তা, আইন প্রয়োগের সীমাবদ্ধতা এবং সরকারি সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির বিষয়টি সামনে আনেন।

জাইমা রহমান তার পোস্টে উল্লেখ করেন, লন্ডনে এক দশকেরও বেশি সময় আগে তিনি প্রথমবার ড্রাইভিং টেস্ট দিয়েছিলেন। সম্প্রতি বাংলাদেশে দ্বিতীয়বার পরীক্ষায় অংশ নিয়ে তিনি দুই দেশের ব্যবস্থাপনার আকাশ-পাতাল পার্থক্য লক্ষ্য করেছেন। তিনি বলেন, লন্ডনের পরীক্ষা তাকে গাড়ি গাড়ি চালানোর জন্য যতটা প্রস্তুত করেছিল, বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা ছিল তার চেয়ে ভিন্ন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন এখানে অনলাইন প্রক্রিয়া থাকা সত্ত্বেও দালালের শরণাপন্ন হলে কাজ দ্রুত হয় এবং পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও কেন লাইসেন্সের জন্য মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হয়?

সড়ক ব্যবহারের সামগ্রিক অভিজ্ঞতা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে তিনি আরও লেখেন, ঢাকার তরুণদের জন্য নিয়ম মেনে চলা কঠিন হয়ে পড়ে যখন ব্যবস্থা নিজেই অনিরাপদ ও অনিশ্চিত থাকে। ফুটপাত দখল, পর্যাপ্ত ক্রসিংয়ের অভাব এবং গণপরিবহনের বিশৃঙ্খলার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যাত্রী বা নতুন চালক হিসেবে সাধারণ মানুষের হাতে কার্যত কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকে না। বিআরটিএ-র সেবাকে আরও জনবান্ধব ও স্বচ্ছ করার প্রয়োজনীয়তার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।