মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১১:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

কাবা শরিফে প্রথম নজর পড়তেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন ওমরাহ যাত্রী

পবিত্র ওমরাহ পালনের আজন্ম লালিত স্বপ্ন পূরণ হলো, কিন্তু সেই আনন্দঘন মুহূর্তেই চিরবিদায় নিলেন পাকিস্তানি নাগরিক হাজি আবদুল লতিফ। সৌদি আরবের মক্কায় পবিত্র কাবা শরিফের ওপর প্রথম নজর পড়ার পরপরই ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনি দিয়ে ইন্তেকাল করেন তিনি। বুধবার ভোরে মসজিদুল হারামে এই হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটে।

মরহুম আবদুল লতিফ পাকিস্তানের ফয়সালাবাদের বাসিন্দা ছিলেন এবং পেশায় একজন পুস্তক ব্যবসায়ী ছিলেন। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুর মাত্র চার দিন আগে তিনি হঠাৎ ওমরাহ পালনের তীব্র ইচ্ছা প্রকাশ করেন। এরপর দ্রুততম সময়ে ভিসা ও আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া শেষ করে গত ১১ আগস্ট ছেলের সঙ্গে সৌদি আরবের উদ্দেশে রওনা হন।

জেদ্দা থেকে মক্কায় যাওয়ার পথে তিনি অত্যন্ত ব্যাকুল ছিলেন এবং বারবার গাড়ি চালককে দ্রুত পবিত্র ভূমিতে পৌঁছানোর অনুরোধ করছিলেন। মসজিদুল হারামে পৌঁছানোর পর তার মধ্যে এক ধরনের আধ্যাত্মিক অস্থিরতা কাজ করছিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, তিনি উচ্চস্বরে তকবির ও ইস্তিগফার পাঠ করছিলেন। মাতাফে পৌঁছে যখনই তিনি প্রথমবারের মতো কাবার দিকে তাকান, তখনই আবেগাপ্লুত হয়ে বসে পড়েন এবং জ্ঞান হারান। দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া হলেও কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘থাউজ্যান্ড মার্টিয়ার্স কাপ’: দীর্ঘ তিন বছর পর মাঠে ফিরছে ফিলিস্তিনি ফুটবল

কাবা শরিফে প্রথম নজর পড়তেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন ওমরাহ যাত্রী

আপডেট সময় : ০৭:৪৪:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

পবিত্র ওমরাহ পালনের আজন্ম লালিত স্বপ্ন পূরণ হলো, কিন্তু সেই আনন্দঘন মুহূর্তেই চিরবিদায় নিলেন পাকিস্তানি নাগরিক হাজি আবদুল লতিফ। সৌদি আরবের মক্কায় পবিত্র কাবা শরিফের ওপর প্রথম নজর পড়ার পরপরই ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনি দিয়ে ইন্তেকাল করেন তিনি। বুধবার ভোরে মসজিদুল হারামে এই হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটে।

মরহুম আবদুল লতিফ পাকিস্তানের ফয়সালাবাদের বাসিন্দা ছিলেন এবং পেশায় একজন পুস্তক ব্যবসায়ী ছিলেন। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুর মাত্র চার দিন আগে তিনি হঠাৎ ওমরাহ পালনের তীব্র ইচ্ছা প্রকাশ করেন। এরপর দ্রুততম সময়ে ভিসা ও আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া শেষ করে গত ১১ আগস্ট ছেলের সঙ্গে সৌদি আরবের উদ্দেশে রওনা হন।

জেদ্দা থেকে মক্কায় যাওয়ার পথে তিনি অত্যন্ত ব্যাকুল ছিলেন এবং বারবার গাড়ি চালককে দ্রুত পবিত্র ভূমিতে পৌঁছানোর অনুরোধ করছিলেন। মসজিদুল হারামে পৌঁছানোর পর তার মধ্যে এক ধরনের আধ্যাত্মিক অস্থিরতা কাজ করছিল। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, তিনি উচ্চস্বরে তকবির ও ইস্তিগফার পাঠ করছিলেন। মাতাফে পৌঁছে যখনই তিনি প্রথমবারের মতো কাবার দিকে তাকান, তখনই আবেগাপ্লুত হয়ে বসে পড়েন এবং জ্ঞান হারান। দ্রুত চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া হলেও কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।