মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১০:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারের কঠোর পদক্ষেপ: রাত ৮টার পর বন্ধ থাকবে বিপণিবিতান

সারাদেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের সকল শপিংমল, মার্কেট ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান রাত ৮টার পর আর খোলা রাখা যাবে না। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত সরকারের জ্বালানি সাশ্রয় নীতির অংশ হিসেবে বুধবার বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এখন থেকে বিপণিবিতানগুলো সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে। এছাড়া সন্ধ্যার পর বিদ্যুতের অপচয় রোধে রাত ৭টার মধ্যে সকল ধরনের আলোকিত বিলবোর্ড বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সব ধরনের আলোকসজ্জার ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের সমন্বয় শাখা থেকে জানানো হয়েছে, এই সিদ্ধান্ত দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলমান মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। তবে জনস্বার্থ ও জরুরি সেবার কথা বিবেচনা করে হাসপাতাল, ওষুধের দোকান এবং খাবারের দোকানগুলোকে এই নির্দেশনার আওতামুক্ত রাখা হয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি ও অভ্যন্তরীণ চাহিদার ভারসাম্য বজায় রাখতে এই মিতব্যয়িতা অপরিহার্য। অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা পরিহার করে নাগরিকদের বিদ্যুৎ ব্যবহারে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১৬ আগস্ট কটিয়াদীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: জামায়াতকে যোগ দেওয়ার আহ্বান মেজর আক্তারের

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারের কঠোর পদক্ষেপ: রাত ৮টার পর বন্ধ থাকবে বিপণিবিতান

আপডেট সময় : ০৮:৫৪:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

সারাদেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের সকল শপিংমল, মার্কেট ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান রাত ৮টার পর আর খোলা রাখা যাবে না। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নির্বাচিত সরকারের জ্বালানি সাশ্রয় নীতির অংশ হিসেবে বুধবার বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এখন থেকে বিপণিবিতানগুলো সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে। এছাড়া সন্ধ্যার পর বিদ্যুতের অপচয় রোধে রাত ৭টার মধ্যে সকল ধরনের আলোকিত বিলবোর্ড বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সব ধরনের আলোকসজ্জার ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের সমন্বয় শাখা থেকে জানানো হয়েছে, এই সিদ্ধান্ত দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলমান মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। তবে জনস্বার্থ ও জরুরি সেবার কথা বিবেচনা করে হাসপাতাল, ওষুধের দোকান এবং খাবারের দোকানগুলোকে এই নির্দেশনার আওতামুক্ত রাখা হয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি ও অভ্যন্তরীণ চাহিদার ভারসাম্য বজায় রাখতে এই মিতব্যয়িতা অপরিহার্য। অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা পরিহার করে নাগরিকদের বিদ্যুৎ ব্যবহারে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।