মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

সীতাকুণ্ড ইকোপার্কের অস্তিত্ব সংকটে: রাজস্ব বাড়লেও নেই যথাযথ সংরক্ষণ ও জনবল

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড ইকোপার্ক ও বোটানিক্যাল গার্ডেন থেকে সরকার প্রতি বছর কোটি কোটি টাকার রাজস্ব পেলেও এর সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় বরাদ্দ ও জনবল সংকটে ধুঁকছে বিশাল এই বনভূমি। প্রায় দুই হাজার একর পাহাড়ি এলাকা নিয়ে গঠিত এই পার্কটি বর্তমানে অগ্নিকাণ্ড, প্লাস্টিক দূষণ এবং পর্যটকদের অতিরিক্ত চাপের কারণে হুমকির মুখে পড়েছে।

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ ও ২০২৫ অর্থবছরে এই ইকোপার্ক থেকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে। তবে আয়ের তুলনায় পার্কের রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ অত্যন্ত নগণ্য। বন কর্মকর্তাদের মতে, যথাযথ সীমানা প্রাচীর না থাকায় এবং লোকবল কম হওয়ায় পার্কের জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

সংশ্লিষ্ট রেঞ্জ কর্মকর্তা জানান, সীতাকুণ্ডের এই প্রাকৃতিক সম্পদকে বন্যপ্রাণীর নিরাপদ অভয়ারণ্যে পরিণত করার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ জন্য পরিকল্পিত সংরক্ষণ কার্যক্রম এবং পর্যাপ্ত বাজেট প্রয়োজন। বর্তমানে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ করা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পরিবেশবিদরা মনে করছেন, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে সীতাকুণ্ডের এই প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। পাহাড় ও বন রক্ষায় সরকারের বিশেষ দৃষ্টি এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত একটি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা এখন সময়ের দাবি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাংবাদিক নুর মোহাম্মদকে হত্যার হুমকি: তীব্র নিন্দা ও নিরাপত্তার দাবি ইরাব-বিএসআরএফের

সীতাকুণ্ড ইকোপার্কের অস্তিত্ব সংকটে: রাজস্ব বাড়লেও নেই যথাযথ সংরক্ষণ ও জনবল

আপডেট সময় : ১১:১০:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড ইকোপার্ক ও বোটানিক্যাল গার্ডেন থেকে সরকার প্রতি বছর কোটি কোটি টাকার রাজস্ব পেলেও এর সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় বরাদ্দ ও জনবল সংকটে ধুঁকছে বিশাল এই বনভূমি। প্রায় দুই হাজার একর পাহাড়ি এলাকা নিয়ে গঠিত এই পার্কটি বর্তমানে অগ্নিকাণ্ড, প্লাস্টিক দূষণ এবং পর্যটকদের অতিরিক্ত চাপের কারণে হুমকির মুখে পড়েছে।

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ ও ২০২৫ অর্থবছরে এই ইকোপার্ক থেকে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে। তবে আয়ের তুলনায় পার্কের রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ অত্যন্ত নগণ্য। বন কর্মকর্তাদের মতে, যথাযথ সীমানা প্রাচীর না থাকায় এবং লোকবল কম হওয়ায় পার্কের জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়ছে।

সংশ্লিষ্ট রেঞ্জ কর্মকর্তা জানান, সীতাকুণ্ডের এই প্রাকৃতিক সম্পদকে বন্যপ্রাণীর নিরাপদ অভয়ারণ্যে পরিণত করার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ জন্য পরিকল্পিত সংরক্ষণ কার্যক্রম এবং পর্যাপ্ত বাজেট প্রয়োজন। বর্তমানে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ করা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পরিবেশবিদরা মনে করছেন, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে সীতাকুণ্ডের এই প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। পাহাড় ও বন রক্ষায় সরকারের বিশেষ দৃষ্টি এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত একটি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা এখন সময়ের দাবি।