মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১২:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

মানবাধিকার কমিশন আইনের খসড়া অনুমোদন: তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় নতুন ক্ষমতার পথে কমিশন

ক্যালেন্ডারে ২০২৬ সাল চলছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান বিএনপি সরকার দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইনের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার (তারিখ উল্লেখ নেই) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাবিত আইনের খসড়াটি অনুমোদন করা হয়।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। নতুন এই আইনটি মানবাধিকার সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও নিশ্চিতকরণ এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন, সনদ ও চুক্তির প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হচ্ছে।

প্রস্তাবিত আইনের খসড়ায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনার তদন্তের পাশাপাশি ভুক্তভোগীর তাৎক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে ক্ষমতা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এটি কমিশনের কার্যকারিতা ও স্বকীয়তা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আইনের খসড়ায় একজন চেয়ারপারসন ও চারজন কমিশনার নিয়ে কমিশন গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে ন্যূনতম একজন নারী সদস্য রাখার বিধান রয়েছে। কমিশন গঠনের ক্ষেত্রে বাছাই কমিটির সুপারিশে নৃগোষ্ঠী ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর যোগ্য প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বাছাই কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, নাগরিক প্রতিনিধি এবং নৃগোষ্ঠী বা সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিকে অন্তর্ভুক্ত করার বিধানও রাখা হয়েছে।

জাতিসংঘের নির্যাতনবিরোধী সনদের ঐচ্ছিক প্রটোকল (ওপিসিএটি) অনুযায়ী হেফাজতে নির্যাতন, মৃত্যু বা গুম প্রতিরোধে জাতীয় প্রতিরোধ ব্যবস্থা (এনপিএম) ইউনিট গঠনের বিধান করার কথা বলা হয়েছে প্রস্তাবিত আইনের খসড়ায়। এটি দেশে হেফাজতে মৃত্যু ও নির্যাতনের ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্যাংক পরিচালকদের দুই বছরের মেয়াদসীমা তুলে নিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

মানবাধিকার কমিশন আইনের খসড়া অনুমোদন: তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় নতুন ক্ষমতার পথে কমিশন

আপডেট সময় : ১০:১২:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

ক্যালেন্ডারে ২০২৬ সাল চলছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান বিএনপি সরকার দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইনের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার (তারিখ উল্লেখ নেই) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাবিত আইনের খসড়াটি অনুমোদন করা হয়।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। নতুন এই আইনটি মানবাধিকার সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও নিশ্চিতকরণ এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন, সনদ ও চুক্তির প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হচ্ছে।

প্রস্তাবিত আইনের খসড়ায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনার তদন্তের পাশাপাশি ভুক্তভোগীর তাৎক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে ক্ষমতা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এটি কমিশনের কার্যকারিতা ও স্বকীয়তা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আইনের খসড়ায় একজন চেয়ারপারসন ও চারজন কমিশনার নিয়ে কমিশন গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে ন্যূনতম একজন নারী সদস্য রাখার বিধান রয়েছে। কমিশন গঠনের ক্ষেত্রে বাছাই কমিটির সুপারিশে নৃগোষ্ঠী ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর যোগ্য প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। বাছাই কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, নাগরিক প্রতিনিধি এবং নৃগোষ্ঠী বা সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিকে অন্তর্ভুক্ত করার বিধানও রাখা হয়েছে।

জাতিসংঘের নির্যাতনবিরোধী সনদের ঐচ্ছিক প্রটোকল (ওপিসিএটি) অনুযায়ী হেফাজতে নির্যাতন, মৃত্যু বা গুম প্রতিরোধে জাতীয় প্রতিরোধ ব্যবস্থা (এনপিএম) ইউনিট গঠনের বিধান করার কথা বলা হয়েছে প্রস্তাবিত আইনের খসড়ায়। এটি দেশে হেফাজতে মৃত্যু ও নির্যাতনের ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।