দেশের ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে কক্সবাজারের উখিয়ায় সরকারি বনভূমিসহ বিভিন্ন স্থানে প্রায় সাড়ে ৬ লাখ দেশীয় প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, বনভূমি পুনরুদ্ধার, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় এই বৃক্ষরোপণ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে, যা দেশের সবুজায়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে।
উপজেলার রাজাপালং, পালংখালী, জালিয়াপালং, রত্নাপালং ও হলদিয়াপালং ইউনিয়নের বিভিন্ন সরকারি বন বিভাগের জায়গায় গর্জন, নিম, চাম্পা, চালতা, অর্জুন, জারুল, সেগুন, মেহগনিসহ প্রায় ৩০ প্রজাতির চারা রোপণ করা হয়েছে। এই উদ্যোগের ফলে উখিয়ার পাহাড়ি বনাঞ্চল তার হারানো সবুজ আচ্ছাদন ফিরে পাচ্ছে।
সম্প্রতি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম উখিয়া রেঞ্জের থাইংখালী বিটে হেল্প প্রকল্পের আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সৃজিত ১৫০ হেক্টর দেশীয় মিশ্র প্রজাতির দ্রুতবর্ধনশীল বাগান পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি চারাগুলোর আশানুরূপ বৃদ্ধি ও পরিচর্যার কাজ দেখে গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেন। পরে প্রতীকী হিসেবে তিনি বাগানে একটি নিম ও একটি চাপালিশ গাছের চারা রোপণ করেন।
বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, উখিয়ার পাহাড়ি বনাঞ্চল দীর্ঘদিন ধরে নানা কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নতুন করে বন সৃজনের মাধ্যমে বনভূমির সবুজ আচ্ছাদন বাড়ানোর পাশাপাশি মাটির ক্ষয় রোধ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও স্থানীয় পরিবেশের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিবেশবিদরা এই বৃহৎ সবুজায়ন প্রকল্পকে একটি অত্যন্ত ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে এলাকার পরিবেশগত স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
রিপোর্টারের নাম 
























