মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১০:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬

সাতক্ষীরা-ভোটখালি মহাসড়ক নির্মাণে অনিয়ম: চরম দুর্ভোগে ৫ উপজেলার মানুষ

সাতক্ষীরা থেকে ভেটখালি পর্যন্ত ৬২ কিলোমিটার দীর্ঘ আঞ্চলিক মহাসড়ক নির্মাণকাজে অনিয়ম ও চরম ধীরগতির অভিযোগ উঠেছে। নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের কারণে কাজ শেষ হওয়ার আগেই বিভিন্ন স্থানে ধস দেখা দিচ্ছে, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। ৮২২ কোটি টাকা বাজেটের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পটি যথাসময়ে শেষ না হওয়ায় পাঁচটি উপজেলার মানুষকে যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালে বিগত সরকারের আমলে এই প্রকল্পের প্রশাসনিক আদেশ জারি হলেও ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে বর্তমান সরকারের অধীনে মহাসড়কের কাজ শুরু হয়। ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পের বড় একটি অংশ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত মাত্র ৩২ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। কাজের ধীরগতির কারণে প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিম্নমানের পাথর ও সামগ্রী ব্যবহার করায় রাস্তার স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে দেবহাটা ও কালীগঞ্জ এলাকায় পাইলিং ধসে পড়ার ঘটনাও ঘটেছে। তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এমডি মাঈনুদ্দীন লিমিটেড এসব অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছে, ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা সামগ্রী দিয়েই কাজ চালানো হচ্ছে। এদিকে ভাঙাচোরা রাস্তার কারণে নিয়মিত যাতায়াতকারী ও ব্যবসায়ীদের ব্যাপক লোকসান গুনতে হচ্ছে। দ্রুত মানসম্মত কাজ সম্পন্ন করে জনভোগান্তি লাঘবের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাগরে লঘুচাপের প্রভাবে দেশজুড়ে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা

সাতক্ষীরা-ভোটখালি মহাসড়ক নির্মাণে অনিয়ম: চরম দুর্ভোগে ৫ উপজেলার মানুষ

আপডেট সময় : ০৯:০৮:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

সাতক্ষীরা থেকে ভেটখালি পর্যন্ত ৬২ কিলোমিটার দীর্ঘ আঞ্চলিক মহাসড়ক নির্মাণকাজে অনিয়ম ও চরম ধীরগতির অভিযোগ উঠেছে। নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের কারণে কাজ শেষ হওয়ার আগেই বিভিন্ন স্থানে ধস দেখা দিচ্ছে, যা স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। ৮২২ কোটি টাকা বাজেটের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পটি যথাসময়ে শেষ না হওয়ায় পাঁচটি উপজেলার মানুষকে যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালে বিগত সরকারের আমলে এই প্রকল্পের প্রশাসনিক আদেশ জারি হলেও ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে বর্তমান সরকারের অধীনে মহাসড়কের কাজ শুরু হয়। ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পের বড় একটি অংশ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত মাত্র ৩২ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। কাজের ধীরগতির কারণে প্রকল্পের মেয়াদ ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিম্নমানের পাথর ও সামগ্রী ব্যবহার করায় রাস্তার স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে দেবহাটা ও কালীগঞ্জ এলাকায় পাইলিং ধসে পড়ার ঘটনাও ঘটেছে। তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এমডি মাঈনুদ্দীন লিমিটেড এসব অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছে, ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা সামগ্রী দিয়েই কাজ চালানো হচ্ছে। এদিকে ভাঙাচোরা রাস্তার কারণে নিয়মিত যাতায়াতকারী ও ব্যবসায়ীদের ব্যাপক লোকসান গুনতে হচ্ছে। দ্রুত মানসম্মত কাজ সম্পন্ন করে জনভোগান্তি লাঘবের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।