মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১১:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬

বুড়িচংয়ে ফ্যামিলি কার্ড নিয়োগে ইউএনওর বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ, বিএনপি নেতার অপসারণ দাবি

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির জনবল নিয়োগে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগ তুলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভির হোসেনের প্রত্যাহার দাবি করেছেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান মনির। তিনি তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক পোস্টে অভিযোগ করেন যে, ইউএনও তানভির হোসেন পক্ষপাতদুষ্ট নিয়োগের মাধ্যমে ফ্যামিলি কার্ডের কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করছেন।

এই পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় এটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। জাকির হোসেন নামে এক মন্তব্যকারী জানান, তিনি ১৫ দিন আগেই ইউএনও তানভির হোসেনের বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ তুলেছিলেন এবং বলেছিলেন যে এই ইউএনও থাকলে ফ্যামিলি কার্ডের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়া সম্ভব নয়। যুবদলের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ারও তার সঙ্গে একমত পোষণ করেছিলেন বলে জানা যায়।

বিএনপি নেতা আজাদ খান মন্তব্য করেন, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের জন্য তদন্তকারী, মাঠ সুপারভাইজার ও মাঠকর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে বিএনপির কর্মীদের অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। তিনি কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য হাজী জসীমউদ্দীনের কাছে এ বিষয়ে যাচাই-বাছাই করে নিয়োগ দেওয়ার আহ্বান জানান।

শুক্রবার প্রকাশিত নিয়োগের ফলাফলে দেখা যায়, বুড়িচং উপজেলার বাকশিমুল ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের রেজাউল করিমের ছেলে মাহমুদুল হাসান নিলয়কে সুপারভাইজার পদে এবং ষোলনল ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতা ওমর ফারুককে গণনাকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই নিয়োগ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান মনির বলেন, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যঙ্গ করে পোস্ট করা এক ব্যক্তি কীভাবে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করেই নিয়োগ পেলেন, তা প্রশ্নবিদ্ধ। একইভাবে, আওয়ামী লীগের একজন নেতাকে গণনাকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়াও তদন্তের দাবি রাখে। তিনি অবিলম্বে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভির হোসেনকে প্রত্যাহার করার দাবি জানান, অন্যথায় তারা অনশন করতে বাধ্য হবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন।

তবে, বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভির হোসেন এসব অভিযোগের বিষয়ে বলেন, অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান পরিবর্তন না আনলে চাপ অব্যাহত থাকবে: মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স

বুড়িচংয়ে ফ্যামিলি কার্ড নিয়োগে ইউএনওর বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ, বিএনপি নেতার অপসারণ দাবি

আপডেট সময় : ১০:২৪:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির জনবল নিয়োগে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগ তুলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভির হোসেনের প্রত্যাহার দাবি করেছেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান মনির। তিনি তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক পোস্টে অভিযোগ করেন যে, ইউএনও তানভির হোসেন পক্ষপাতদুষ্ট নিয়োগের মাধ্যমে ফ্যামিলি কার্ডের কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করছেন।

এই পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় এটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। জাকির হোসেন নামে এক মন্তব্যকারী জানান, তিনি ১৫ দিন আগেই ইউএনও তানভির হোসেনের বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ তুলেছিলেন এবং বলেছিলেন যে এই ইউএনও থাকলে ফ্যামিলি কার্ডের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়া সম্ভব নয়। যুবদলের সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ারও তার সঙ্গে একমত পোষণ করেছিলেন বলে জানা যায়।

বিএনপি নেতা আজাদ খান মন্তব্য করেন, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের জন্য তদন্তকারী, মাঠ সুপারভাইজার ও মাঠকর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে বিএনপির কর্মীদের অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। তিনি কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য হাজী জসীমউদ্দীনের কাছে এ বিষয়ে যাচাই-বাছাই করে নিয়োগ দেওয়ার আহ্বান জানান।

শুক্রবার প্রকাশিত নিয়োগের ফলাফলে দেখা যায়, বুড়িচং উপজেলার বাকশিমুল ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের রেজাউল করিমের ছেলে মাহমুদুল হাসান নিলয়কে সুপারভাইজার পদে এবং ষোলনল ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতা ওমর ফারুককে গণনাকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এই নিয়োগ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান মনির বলেন, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যঙ্গ করে পোস্ট করা এক ব্যক্তি কীভাবে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করেই নিয়োগ পেলেন, তা প্রশ্নবিদ্ধ। একইভাবে, আওয়ামী লীগের একজন নেতাকে গণনাকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়াও তদন্তের দাবি রাখে। তিনি অবিলম্বে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভির হোসেনকে প্রত্যাহার করার দাবি জানান, অন্যথায় তারা অনশন করতে বাধ্য হবেন বলে হুঁশিয়ারি দেন।

তবে, বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভির হোসেন এসব অভিযোগের বিষয়ে বলেন, অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।