শিক্ষক নিয়োগে সুপারিশ না পাওয়া প্রার্থীরা শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান নিয়েছে এবং মূল সড়ক অবরোধের চেষ্টা করছে। এই পরিস্থিতিতে তাদের বাধা দিতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের একরকম মুখোমুখি সংঘাতের সৃষ্টি হয়েছে।
আজ রোববার (১২ অক্টোবর) দুপুর সোয়া ১টার দিকে রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় এমন উত্তপ্ত পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
এর আগে, সকাল ১১টা থেকে প্রায় এক হাজারেরও বেশি নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থী শাহবাগে জড়ো হন। ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনে চূড়ান্তভাবে উত্তীর্ণ হয়েও যারা নিয়োগের সুপারিশ পাননি, তারা এই আন্দোলনে নেমেছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজন কাফনের কাপড় পরে নিজেদের অনড় অবস্থানের জানান দেন। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী সুপারিশবঞ্চিত প্রার্থী নাজমুন নাহার জাগো নিউজকে বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রায় ৫০ হাজার শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। অথচ আমরা যারা নিবন্ধনে উত্তীর্ণ হয়েছি, তারা নিয়োগের সুপারিশ থেকে বঞ্চিত। অবিলম্বে শূন্যপদগুলোতে নিয়োগ দিতে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এনটিআরসিএর সনদধারীদের নিয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে। আমাদের এই দাবি মানা না হলে আমরা রাজপথ থেকে সরবো না।
আন্দোলনকারীরা মূলতঃ দুটি দাবি নিয়ে সরব হয়েছেন:
১. ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সকল শূন্যপদ যুক্ত করে দ্রুত সময়ের মধ্যে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সুপারিশবঞ্চিত ১৬ হাজার ২১৩ জনকে নিয়োগ দিতে হবে।
২. নীতিমালা পরিবর্তনের পূর্বে সুপারিশবঞ্চিত প্রার্থীদের নিয়োগের জন্য বিষয়ভিত্তিক তথ্য বিশ্লেষণ করতে হবে এবং প্রাতিষ্ঠানিক বাধা তুলে দিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী শূন্য পদ যুক্ত করে বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সবাইকে নিয়োগের সুযোগ দিতে হবে।
রিপোর্টারের নাম 
























