ঢাকা ০৫:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে সোনালু ফুলের মনোরম দৃশ্য, মুগ্ধ প্রকৃতিপ্রেমীরা

গ্রীষ্মের আগমনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ক্যাম্পাস জুড়ে সোনালু ফুলের হলুদ আভা এক মনোমুগ্ধকর দৃশ্যের সৃষ্টি করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠের পূর্বপ্রান্তে এবং চিকিৎসাকেন্দ্রের সীমানা প্রাচীর ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকা সোনালু গাছগুলো এখন ফুলে ফুলে ছেয়ে গেছে। রোদের আলোয় এই ফুলগুলো আরও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে, যা দূর থেকে যেকোনো পথিকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। নবীন শিক্ষার্থীদের কাছে এই স্থানটি এখন প্রিয় আকর্ষণে পরিণত হয়েছে, যেখানে একই সাথে খোলা সবুজ প্রকৃতি ও পাহাড়ের মনোরম দৃশ্য উপভোগ করা যায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই ক্যাম্পাসের এই সড়কটি হলুদ ফুলে ভরে যায়। কোলাহলমুক্ত এই পরিবেশ এক স্নিগ্ধ অনুভূতি এনে দেয়। দুপুর নাগাদ পুরো সড়ক সোনালি আভায় আলোকিত হয়ে ওঠে এবং ঝরে পড়া ফুলের পাপড়িগুলো সড়কের পাশে ঘাসের উপর পড়ে এক হলুদ গালিচার সৃষ্টি করে।

ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা প্রায়শই বিকালের শীতল হাওয়া উপভোগ করতে এবং প্রকৃতির সান্নিধ্য পেতে এই আঙিনায় ঘুরতে আসেন। অনেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে আসেন পাহাড়, ঝরনা ও সবুজের সমারোহ দেখতে। কেউ প্রিয়জনের সঙ্গে আবার কেউ একাকী প্রকৃতির মাঝে নিজেকে খুঁজে ফেরেন। এই সুন্দর মুহূর্তগুলোকে স্মৃতিময় করে রাখতে অনেকেই এখানে ছবি তোলেন এবং ফটোগ্রাফি করেন।

শুধু শিক্ষার্থীরাই নন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং তাদের অভিভাবকরাও অবসর সময়ে পরিবার ও স্বজনদের নিয়ে এখানে ঘুরতে আসেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উঁচু-নিচু পাহাড়ি পথ ধরে হাঁটতে থাকলে প্রকৃতির এই অসাধারণ দৃশ্য চোখে পড়ে। সোনালু ফুলগুলো যেন উষ্ণ অভ্যর্থনা জানায় আগতদের। প্রতিদিন এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে শত শত মানুষের ভিড় জমে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশের স্থানীয় বাসিন্দারাও সকালে বা বিকেলে এখানে এসে কিছু সময় কাটান এবং ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করেন। প্রায় ২ হাজার ৩০০ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর একটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ১৯৬৬ সালের ১৮ নভেম্বর যাত্রা শুরু করা এই বিশ্ববিদ্যালয়টি দেশের একমাত্র শাটল ট্রেনভিত্তিক ক্যাম্পাস হিসেবেও পরিচিতি লাভ করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় সংকট মোকাবিলায় সাংবাদিকদের ভূমিকার গুরুত্ব অপরিসীম: সেলিম উদ্দিন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে সোনালু ফুলের মনোরম দৃশ্য, মুগ্ধ প্রকৃতিপ্রেমীরা

আপডেট সময় : ০৬:০৪:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

গ্রীষ্মের আগমনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ক্যাম্পাস জুড়ে সোনালু ফুলের হলুদ আভা এক মনোমুগ্ধকর দৃশ্যের সৃষ্টি করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠের পূর্বপ্রান্তে এবং চিকিৎসাকেন্দ্রের সীমানা প্রাচীর ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকা সোনালু গাছগুলো এখন ফুলে ফুলে ছেয়ে গেছে। রোদের আলোয় এই ফুলগুলো আরও উজ্জ্বল হয়ে ওঠে, যা দূর থেকে যেকোনো পথিকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। নবীন শিক্ষার্থীদের কাছে এই স্থানটি এখন প্রিয় আকর্ষণে পরিণত হয়েছে, যেখানে একই সাথে খোলা সবুজ প্রকৃতি ও পাহাড়ের মনোরম দৃশ্য উপভোগ করা যায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই ক্যাম্পাসের এই সড়কটি হলুদ ফুলে ভরে যায়। কোলাহলমুক্ত এই পরিবেশ এক স্নিগ্ধ অনুভূতি এনে দেয়। দুপুর নাগাদ পুরো সড়ক সোনালি আভায় আলোকিত হয়ে ওঠে এবং ঝরে পড়া ফুলের পাপড়িগুলো সড়কের পাশে ঘাসের উপর পড়ে এক হলুদ গালিচার সৃষ্টি করে।

ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীরা প্রায়শই বিকালের শীতল হাওয়া উপভোগ করতে এবং প্রকৃতির সান্নিধ্য পেতে এই আঙিনায় ঘুরতে আসেন। অনেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে আসেন পাহাড়, ঝরনা ও সবুজের সমারোহ দেখতে। কেউ প্রিয়জনের সঙ্গে আবার কেউ একাকী প্রকৃতির মাঝে নিজেকে খুঁজে ফেরেন। এই সুন্দর মুহূর্তগুলোকে স্মৃতিময় করে রাখতে অনেকেই এখানে ছবি তোলেন এবং ফটোগ্রাফি করেন।

শুধু শিক্ষার্থীরাই নন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং তাদের অভিভাবকরাও অবসর সময়ে পরিবার ও স্বজনদের নিয়ে এখানে ঘুরতে আসেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উঁচু-নিচু পাহাড়ি পথ ধরে হাঁটতে থাকলে প্রকৃতির এই অসাধারণ দৃশ্য চোখে পড়ে। সোনালু ফুলগুলো যেন উষ্ণ অভ্যর্থনা জানায় আগতদের। প্রতিদিন এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে শত শত মানুষের ভিড় জমে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশের স্থানীয় বাসিন্দারাও সকালে বা বিকেলে এখানে এসে কিছু সময় কাটান এবং ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করেন। প্রায় ২ হাজার ৩০০ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর একটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ১৯৬৬ সালের ১৮ নভেম্বর যাত্রা শুরু করা এই বিশ্ববিদ্যালয়টি দেশের একমাত্র শাটল ট্রেনভিত্তিক ক্যাম্পাস হিসেবেও পরিচিতি লাভ করেছে।