প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন বলেছেন, জামায়াতে ইসলামীকে রাষ্ট্রক্ষমতায় যেতে হলে আরও অন্তত এক দশক বিরোধী রাজনীতির অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। শুক্রবার বিকেলে ঝিনাইদহ সার্কিট হাউসে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
রাশেদ খাঁন সচিবালয়ের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে বলেন, ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের চরম উত্তেজনার সময়ও সচিবালয়ে কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়নি। কিন্তু বর্তমানে কৃত্রিমভাবে ‘মব’ সৃষ্টি করে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি জামায়াতকে একটি হঠকারী রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে অভিহিত করে বলেন, সুযোগ পেলে তারা রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের ভারসাম্য নষ্ট করতে দ্বিধা করবে না।
তিনি আরও বলেন, বিগত ৫ আগস্টের জাতীয় কর্মসূচিতে বিদেশি কূটনীতিকদের উপস্থিতিতে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের নেতৃত্বে যে ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি করা হয়েছে, তা দেশের ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ণ করার একটি অপচেষ্টা। বর্তমান নির্বাচিত সরকারকে অস্থিতিশীল করতে একটি বিশেষ মহল সক্রিয় রয়েছে বলে তিনি সতর্ক করে দেন।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের পুনরায় ফিরে আসার আশঙ্কা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রীর এই সহকারী বলেন, যদি আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ পায়, তবে তা জামায়াত ও এনসিপির ভুল রাজনীতির পথ ধরেই আসবে। আর তেমনটি ঘটলে তা দেশের গণতন্ত্রকামী সকল শক্তির জন্যই বিপর্যয়কর হবে।
ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা প্রশাসক এমএ মজিদ এবং সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনাসহ স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ নেতারা এই মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 





















