মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৭:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬

ডিসেম্বরের মধ্যে কৃষক কার্ডের নির্ভুল তালিকা সম্পন্ন করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

দেশের প্রকৃত কৃষকদের অধিকার নিশ্চিত করতে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে একটি নির্ভুল ও স্বচ্ছ তালিকা প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের সভায় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এই সময়সীমা বেঁধে দেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রস্তাবিত কৃষক কার্ডে শুধুমাত্র কৃষকের পরিচয়ই নয়, বরং তার উৎপাদন, সরকারি সহায়তা এবং কৃষি বাজারের প্রয়োজনীয় তথ্যও সংরক্ষিত থাকতে হবে। কিউআর কোড ও ছবি সংবলিত এই ডিজিটাল কার্ডের মাধ্যমে ভর্তুকি, সহজ শর্তে ঋণ এবং অন্যান্য প্রণোদনা সরাসরি কৃষকের হাতে পৌঁছানো নিশ্চিত করা হবে। কোনো ধরনের মধ্যস্বত্বভোগী যেন কৃষকের প্রাপ্য সুবিধায় ভাগ বসাতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর হওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

সভায় জানানো হয়, ইতোমধ্যে কৃষকদের ব্যাংক হিসাব খোলার কাজ শুরু হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য হলো আগামী তিন বছরের মধ্যে দেশের প্রায় দুই কোটি কৃষককে এই ডিজিটাল কার্ডের আওতায় আনা। চলতি অর্থবছরই ৪৩ লাখ কৃষক এই সুবিধার সুফল পাবেন। সভায় কৃষি ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আমিন উর রশিদসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বেরোবিতে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ: ক্যাম্পাসে থমথমে অবস্থা, বহিরাগত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

ডিসেম্বরের মধ্যে কৃষক কার্ডের নির্ভুল তালিকা সম্পন্ন করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের

আপডেট সময় : ০৪:৩৮:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

দেশের প্রকৃত কৃষকদের অধিকার নিশ্চিত করতে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে একটি নির্ভুল ও স্বচ্ছ তালিকা প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের সভায় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এই সময়সীমা বেঁধে দেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রস্তাবিত কৃষক কার্ডে শুধুমাত্র কৃষকের পরিচয়ই নয়, বরং তার উৎপাদন, সরকারি সহায়তা এবং কৃষি বাজারের প্রয়োজনীয় তথ্যও সংরক্ষিত থাকতে হবে। কিউআর কোড ও ছবি সংবলিত এই ডিজিটাল কার্ডের মাধ্যমে ভর্তুকি, সহজ শর্তে ঋণ এবং অন্যান্য প্রণোদনা সরাসরি কৃষকের হাতে পৌঁছানো নিশ্চিত করা হবে। কোনো ধরনের মধ্যস্বত্বভোগী যেন কৃষকের প্রাপ্য সুবিধায় ভাগ বসাতে না পারে, সে বিষয়ে কঠোর হওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

সভায় জানানো হয়, ইতোমধ্যে কৃষকদের ব্যাংক হিসাব খোলার কাজ শুরু হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য হলো আগামী তিন বছরের মধ্যে দেশের প্রায় দুই কোটি কৃষককে এই ডিজিটাল কার্ডের আওতায় আনা। চলতি অর্থবছরই ৪৩ লাখ কৃষক এই সুবিধার সুফল পাবেন। সভায় কৃষি ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আমিন উর রশিদসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।