মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ১১:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে মশা দমনে ‘বিশেষ মশা’ প্রযুক্তি: পরিবেশবান্ধব নতুন উদ্যোগ

মশা নিধনে রাসায়নিক ওষুধ বা স্প্রে ব্যবহারের পরিবর্তে এক অভিনব বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি বেছে নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনের এক বাসিন্দা। টড মন্টগোমারি নামের ওই ব্যক্তি তার এলাকায় মশার বংশবিস্তার রোধে ‘বিশেষ মশা’ ব্যবহারের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। মূলত পুরুষ টাইগার মশা ব্যবহার করে এই কার্যক্রম চালানো হচ্ছে, যা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই বিশেষ পুরুষ মশাগুলো মানুষের জন্য ক্ষতিকর নয় এবং এরা কামড়ায় না। এদের শরীরে ‘ওলবাকিয়া’ নামক একটি প্রাকৃতিক ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করানো হয়েছে। যখন এই ব্যাকটেরিয়াযুক্ত পুরুষ মশাগুলো সাধারণ স্ত্রী মশার সাথে মিলিত হয়, তখন স্ত্রী মশার ডিম থেকে আর নতুন মশা জন্মাতে পারে না। ফলে প্রাকৃতিকভাবেই মশার সংখ্যা কমতে শুরু করে।

উদ্যোক্তা টড মন্টগোমারি জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে আর্দ্রতা ও তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় মশাবাহিত রোগের প্রকোপ বাড়ছে। এই ঝুঁকি মোকাবিলায় এবং কীটনাশকের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে বাঁচতে তিনি এই উদ্ভাবনী সেবা চালু করেছেন। ইতোমধ্যে ২৫টি পরিবার এই সেবা গ্রহণ করেছে। সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে এই পদ্ধতি ব্যবহার করে ডেঙ্গুর ঝুঁকি ৭০ শতাংশের বেশি কমানো সম্ভব হয়েছে বলে গবেষণায় দেখা গেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রই হতে পারে জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রের ভিত্তি

যুক্তরাষ্ট্রে মশা দমনে ‘বিশেষ মশা’ প্রযুক্তি: পরিবেশবান্ধব নতুন উদ্যোগ

আপডেট সময় : ১০:০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

মশা নিধনে রাসায়নিক ওষুধ বা স্প্রে ব্যবহারের পরিবর্তে এক অভিনব বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি বেছে নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনের এক বাসিন্দা। টড মন্টগোমারি নামের ওই ব্যক্তি তার এলাকায় মশার বংশবিস্তার রোধে ‘বিশেষ মশা’ ব্যবহারের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। মূলত পুরুষ টাইগার মশা ব্যবহার করে এই কার্যক্রম চালানো হচ্ছে, যা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই বিশেষ পুরুষ মশাগুলো মানুষের জন্য ক্ষতিকর নয় এবং এরা কামড়ায় না। এদের শরীরে ‘ওলবাকিয়া’ নামক একটি প্রাকৃতিক ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করানো হয়েছে। যখন এই ব্যাকটেরিয়াযুক্ত পুরুষ মশাগুলো সাধারণ স্ত্রী মশার সাথে মিলিত হয়, তখন স্ত্রী মশার ডিম থেকে আর নতুন মশা জন্মাতে পারে না। ফলে প্রাকৃতিকভাবেই মশার সংখ্যা কমতে শুরু করে।

উদ্যোক্তা টড মন্টগোমারি জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে আর্দ্রতা ও তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় মশাবাহিত রোগের প্রকোপ বাড়ছে। এই ঝুঁকি মোকাবিলায় এবং কীটনাশকের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে বাঁচতে তিনি এই উদ্ভাবনী সেবা চালু করেছেন। ইতোমধ্যে ২৫টি পরিবার এই সেবা গ্রহণ করেছে। সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে এই পদ্ধতি ব্যবহার করে ডেঙ্গুর ঝুঁকি ৭০ শতাংশের বেশি কমানো সম্ভব হয়েছে বলে গবেষণায় দেখা গেছে।