ঢাকা ০৩:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বর্বরতায় হাজারো ফিলিস্তিনির মৃত্যু, আন্তর্জাতিক উদ্বেগ

দখলকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বাহিনী ও বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ১৮৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে অন্তত ২৫০ জন শিশু রয়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের তথ্য অনুযায়ী, এই অব্যাহত হামলায় অন্তত ১২ হাজার ৬৫২ জন ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন।

ইসরাইলি বাহিনী বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়ে ২৪ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনিকে আটক করেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ জুলাই পর্যন্ত ইসরাইলের বিভিন্ন কারাগারে ৯ হাজার ২৯৯ জন ফিলিস্তিনি বন্দী অবস্থায় রয়েছেন। তবে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর উদ্বেগের বিষয় হলো, এসব বন্দীর মধ্যে ৩ হাজার ২৪৪ জনকে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বা বিচার ছাড়াই আটকে রাখা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী।

পশ্চিম তীরে সংঘটিত সহিংসতার কোনো বিচার বা জবাবদিহি না থাকায় জাতিসংঘ ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা তীব্র সমালোচনা করেছে। সংস্থাগুলোর অভিযোগ, ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা চালিয়েও অভিযুক্ত ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে সচরাচর কোনো মামলা বা আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। এমনকি ফিলিস্তিনিদের প্রাণহানির ঘটনায় জড়িত থাকা সত্ত্বেও ইসরাইলি সেনাদের সাজা পাওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বিরল, যা ন্যায়বিচারের অভাবকে স্পষ্ট করে তোলে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সুরক্ষাই প্রথম: শিশুর নিরাপদ শৈশবকে জাতীয় অগ্রাধিকারের দাবি

পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বর্বরতায় হাজারো ফিলিস্তিনির মৃত্যু, আন্তর্জাতিক উদ্বেগ

আপডেট সময় : ১২:৩৫:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

দখলকৃত পশ্চিম তীরে ইসরাইলি বাহিনী ও বসতি স্থাপনকারীদের সহিংসতা আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ১৮৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে অন্তত ২৫০ জন শিশু রয়েছে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের তথ্য অনুযায়ী, এই অব্যাহত হামলায় অন্তত ১২ হাজার ৬৫২ জন ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন।

ইসরাইলি বাহিনী বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়ে ২৪ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনিকে আটক করেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ জুলাই পর্যন্ত ইসরাইলের বিভিন্ন কারাগারে ৯ হাজার ২৯৯ জন ফিলিস্তিনি বন্দী অবস্থায় রয়েছেন। তবে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর উদ্বেগের বিষয় হলো, এসব বন্দীর মধ্যে ৩ হাজার ২৪৪ জনকে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বা বিচার ছাড়াই আটকে রাখা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী।

পশ্চিম তীরে সংঘটিত সহিংসতার কোনো বিচার বা জবাবদিহি না থাকায় জাতিসংঘ ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা তীব্র সমালোচনা করেছে। সংস্থাগুলোর অভিযোগ, ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা চালিয়েও অভিযুক্ত ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীদের বিরুদ্ধে সচরাচর কোনো মামলা বা আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। এমনকি ফিলিস্তিনিদের প্রাণহানির ঘটনায় জড়িত থাকা সত্ত্বেও ইসরাইলি সেনাদের সাজা পাওয়ার ঘটনা অত্যন্ত বিরল, যা ন্যায়বিচারের অভাবকে স্পষ্ট করে তোলে।