রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় তিস্তা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে নদীপাড়ের মানুষ। উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বর্ষণে নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় নোহালী ইউনিয়নের চর নোহালী কাচারি পাড়া এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সম্প্রতি মোত্তালেব হোসেন ও আবু তালেবের সাজানো বসতভিটা মুহূর্তেই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। সহায়-সম্বল হারিয়ে এসব পরিবার এখন খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
ভুক্তভোগী মর্জিনা বেগম অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে জানান, কয়েক দিনের ব্যবধানে তাদের সবটুকু কেড়ে নিয়েছে রাক্ষুসী নদী। ঘরবাড়ি হারিয়ে এখন সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার মতো কোনো সংস্থান তাদের নেই। ২০০৮ সালে অনেক কষ্টে জমানো টাকায় গড়া পাকা বাড়িটি হারিয়ে মোত্তালেব হোসেন এখন দিশেহারা। তিনি জানান, সরকার যদি দ্রুত সহায়তার হাত না বাড়ায়, তবে তাদের বেঁচে থাকাই কঠিন হয়ে পড়বে।
স্থানীয়রা জানান, প্রতি বছরই তিস্তার ভাঙনে মানচিত্র থেকে মুছে যাচ্ছে জনপদ। দ্রুত জিও ব্যাগ বা কংক্রিট ব্লকের মাধ্যমে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করে ভাঙন রোধ করা না গেলে আরও অনেক পরিবার বাস্তুচ্যুত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। দুর্গতরা এখন সরকারি সাহায্যের জন্য চাতক পাখির মতো চেয়ে আছেন।
রিপোর্টারের নাম 

























