ঢাকা ০১:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত: ক্রিপ্টো লেনদেন ও অনলাইন বেটিংয়ের অভিযোগ

প্রতারণা, অনলাইন বেটিং এবং অবৈধ ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক রকিবুল হাসান খান রকিকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। গত রোববার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক অভ্যন্তরীণ অফিস আদেশে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়, যা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক স্টাফ রেগুলেশনস, ২০০৩-এর ৪৫(৫) ধারা অনুযায়ী তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকালীন তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক প্রশাসনিক নির্দেশিকা, ২০০৩-এর ২১(ক) ধারা অনুযায়ী জীবিকা ভাতা পাবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, রকিবুল হাসানের বিরুদ্ধে সাইবার অপরাধ, অনলাইন বেটিং এবং অন্যান্য গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। তিনি আরও বলেন, কোনো কর্মচারীর বিরুদ্ধে পুলিশি মামলা হলে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া। অভিযোগ থেকে মুক্তি পেলে তার বরখাস্ত আদেশ প্রত্যাহার করা হতে পারে।

গত সপ্তাহে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধানের নেতৃত্বে একটি দল রকিবুলকে গ্রেপ্তারের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অভিযান চালায়। তবে অভিযানের খবর আগে থেকেই পেয়ে তিনি সেখান থেকে পালিয়ে যান। এরপর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

বাংলাদেশ ব্যাংক ও গোয়েন্দা পুলিশের সূত্রমতে, রকিবুলের বিভিন্ন ব্যাংকে একাধিক হিসাবের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া তিনি অবৈধ অনলাইন বেটিং ও ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনের সঙ্গেও জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপ জয়: মাদ্রিদে স্প্যানিশ বীরদের রাজকীয় সংবর্ধনা, উল্লাসে ভাসল লাখো জনতা

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত: ক্রিপ্টো লেনদেন ও অনলাইন বেটিংয়ের অভিযোগ

আপডেট সময় : ১০:৪১:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

প্রতারণা, অনলাইন বেটিং এবং অবৈধ ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক রকিবুল হাসান খান রকিকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। গত রোববার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক অভ্যন্তরীণ অফিস আদেশে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়, যা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক স্টাফ রেগুলেশনস, ২০০৩-এর ৪৫(৫) ধারা অনুযায়ী তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকালীন তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক প্রশাসনিক নির্দেশিকা, ২০০৩-এর ২১(ক) ধারা অনুযায়ী জীবিকা ভাতা পাবেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, রকিবুল হাসানের বিরুদ্ধে সাইবার অপরাধ, অনলাইন বেটিং এবং অন্যান্য গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। তিনি আরও বলেন, কোনো কর্মচারীর বিরুদ্ধে পুলিশি মামলা হলে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া। অভিযোগ থেকে মুক্তি পেলে তার বরখাস্ত আদেশ প্রত্যাহার করা হতে পারে।

গত সপ্তাহে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধানের নেতৃত্বে একটি দল রকিবুলকে গ্রেপ্তারের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অভিযান চালায়। তবে অভিযানের খবর আগে থেকেই পেয়ে তিনি সেখান থেকে পালিয়ে যান। এরপর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

বাংলাদেশ ব্যাংক ও গোয়েন্দা পুলিশের সূত্রমতে, রকিবুলের বিভিন্ন ব্যাংকে একাধিক হিসাবের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া তিনি অবৈধ অনলাইন বেটিং ও ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনের সঙ্গেও জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।