ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার রসালো ও পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ সবেদা এখন স্থানীয় চাহিদা পেরিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে বাণিজ্যিক ফসল হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। বিষমুক্ত ও প্রাকৃতিকভাবে চাষাবাদ করা যায় বলে এই ফলের প্রতি ক্রেতাদের আকর্ষণ দিন দিন বাড়ছে। রোপণের মাত্র দুই বছরের মধ্যে ফলন আসায় অনেক নতুন উদ্যোক্তা এখন বাণিজ্যিকভাবে সবেদা বাগান গড়তে আগ্রহী হচ্ছেন। ফলে এটি এলাকার গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছেন, প্রতিটি পরিণত গাছ থেকে বছরে বিপুল পরিমাণ ফল পাওয়া যায়, যা পাইকারি বাজারে ভালো দামে বিক্রি হয়। বিশেষ করে সদরপুরের আটরশি এলাকার সবেদার স্বাদ ও মিষ্টতা দেশজুড়ে সমাদৃত। মৌসুমের শুরুতেই অনেক ব্যবসায়ী অগ্রিম বাগান কিনে নিচ্ছেন। কৃষি বিভাগের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি প্রয়োগ করা গেলে এই ফলটি রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করাও সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রিপোর্টারের নাম 

























