ঢাকা ০৬:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

রামুতে বন্যায় ম্লান কৃষকের স্বপ্ন: ২০ লাখ টাকার বাগান হারিয়ে নিঃস্ব জয়নাল

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১৮:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজারের রামুতে টানা ১০ দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে কৃষক জয়নাল আবেদীনের তিল তিল করে গড়ে তোলা স্বপ্ন। ধার-দেনা আর কঠোর পরিশ্রমে তৈরি করা ছয় একরের পেঁপে ও কূল বাগান এখন পানির নিচে। কয়েক দিনের জলাবদ্ধতায় মরে গেছে অধিকাংশ গাছ, যার ফলে প্রায় ২০ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন এই প্রান্তিক কৃষক।

ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের বাসিন্দা জয়নাল আবেদীন জানান, স্ত্রীর গয়না বিক্রি, ব্যাংক ঋণ এবং আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে ধার নেওয়া টাকা দিয়ে এই বাগানটি গড়ে তুলেছিলেন। আধুনিক প্রযুক্তিতে চাষাবাদ করে ভাগ্য বদলানোর স্বপ্ন দেখলেও প্রকৃতির বৈরী আচরণে এখন তিনি সর্বস্বান্ত। বর্তমানে তার মাথার ওপর ১৫ লাখ টাকার ঋণের বোঝা। বাগানের নিথর হয়ে যাওয়া গাছগুলোর দিকে তাকিয়ে এখন কেবলই দীর্ঘশ্বাস ফেলছেন তিনি।

জয়নালের এই ক্ষয়ক্ষতির প্রভাব পড়েছে তার বাগানে কর্মরত শ্রমিকদের ওপরও। কাজ হারিয়ে বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় নারী ও পুরুষ শ্রমিকরা। ক্ষতিগ্রস্ত এই কৃষক এখন সরকারি সহায়তার আশায় দিন গুনছেন। তিনি মনে করেন, সরকারের পক্ষ থেকে প্রণোদনা বা ঋণের ব্যবস্থা করা হলে হয়তো আবারও নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে স্ত্রীকে জবাই করে হত্যা: স্বামীর মৃত্যুদণ্ড, ১ লাখ টাকা জরিমানা

রামুতে বন্যায় ম্লান কৃষকের স্বপ্ন: ২০ লাখ টাকার বাগান হারিয়ে নিঃস্ব জয়নাল

আপডেট সময় : ১১:১৮:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

কক্সবাজারের রামুতে টানা ১০ দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে কৃষক জয়নাল আবেদীনের তিল তিল করে গড়ে তোলা স্বপ্ন। ধার-দেনা আর কঠোর পরিশ্রমে তৈরি করা ছয় একরের পেঁপে ও কূল বাগান এখন পানির নিচে। কয়েক দিনের জলাবদ্ধতায় মরে গেছে অধিকাংশ গাছ, যার ফলে প্রায় ২০ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন এই প্রান্তিক কৃষক।

ফতেখাঁরকুল ইউনিয়নের বাসিন্দা জয়নাল আবেদীন জানান, স্ত্রীর গয়না বিক্রি, ব্যাংক ঋণ এবং আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে ধার নেওয়া টাকা দিয়ে এই বাগানটি গড়ে তুলেছিলেন। আধুনিক প্রযুক্তিতে চাষাবাদ করে ভাগ্য বদলানোর স্বপ্ন দেখলেও প্রকৃতির বৈরী আচরণে এখন তিনি সর্বস্বান্ত। বর্তমানে তার মাথার ওপর ১৫ লাখ টাকার ঋণের বোঝা। বাগানের নিথর হয়ে যাওয়া গাছগুলোর দিকে তাকিয়ে এখন কেবলই দীর্ঘশ্বাস ফেলছেন তিনি।

জয়নালের এই ক্ষয়ক্ষতির প্রভাব পড়েছে তার বাগানে কর্মরত শ্রমিকদের ওপরও। কাজ হারিয়ে বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় নারী ও পুরুষ শ্রমিকরা। ক্ষতিগ্রস্ত এই কৃষক এখন সরকারি সহায়তার আশায় দিন গুনছেন। তিনি মনে করেন, সরকারের পক্ষ থেকে প্রণোদনা বা ঋণের ব্যবস্থা করা হলে হয়তো আবারও নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হবে।