রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলায় কফি ও কাজুবাদাম চাষের আধুনিক পদ্ধতি বিষয়ক এক বিশেষ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার রাইখালী পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) কর্তৃক উদ্ভাবিত এই দুটি অর্থকরী ফসলের চাষাবাদ, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং উন্নত প্রযুক্তি নিয়ে দিনব্যাপী এই কর্মশালা আয়োজিত হয়।
রাইখালী পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের আয়োজনে এবং কাজুবাদাম ও কফি গবেষণা, উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের (বারি অঙ্গ) অর্থায়নে অনুষ্ঠিত এই প্রশিক্ষণে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলার ৩০ জন বৈজ্ঞানিক সহকারী অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি)-এর পরিচালক (সেবা ও সরবরাহ) ড. মো. মোশাররফ হোসেন মোল্লা। তিনি পাহাড়ি অঞ্চলে কফি ও কাজুবাদাম চাষ সম্প্রসারণ, আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ এবং গবেষণালব্ধ জ্ঞান মাঠ পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার উপর জোর দেন। তিনি বলেন, দক্ষ জনবল তৈরির মাধ্যমে এই সম্ভাবনাময় ফসলগুলোর উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষকদের আয় বাড়ানো সম্ভব।
রাইখালী পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে এবং বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন হাটহাজারী আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আতিকুর রহমান, চট্টগ্রামের পাহাড়তলী কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. মনিরুজ্জামান এবং খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. এমদাদুল হক। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বান্দরবান সদর সরেজমিন গবেষণা কেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. সেলিম।
প্রশিক্ষণ শেষে জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) উদ্ভাবিত বিভিন্ন ফলজ গাছের উন্নত জাতের চারা স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে প্রধান অতিথি ড. মো. মোশাররফ হোসেন মোল্লা এবং উপস্থিত অতিথিবৃন্দ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। প্রশিক্ষণার্থীদের কফি ও কাজুবাদামের আধুনিক চাষাবাদ, পরিচর্যা, রোগবালাই দমন, সংগ্রহোত্তর ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ বিষয়ে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক জ্ঞান প্রদান করা হয়। আয়োজকদের আশা, এই প্রশিক্ষণ অংশগ্রহণকারীদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।
রিপোর্টারের নাম 

























