ঢাকা ১২:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশ-পাকিস্তান একাডেমিক সহযোগিতা জোরদারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও পাকিস্তান হাইকমিশনের আগ্রহ

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে শিক্ষা, গবেষণা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময় এবং যৌথ একাডেমিক কার্যক্রম সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তান হাইকমিশন। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে।

মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাই কমিশনার ইমরান হায়দারের সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং পাকিস্তানের বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শিক্ষা, গবেষণা, সংস্কৃতি ও মানবসম্পদ উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করে। এ সময় শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময়, যৌথ গবেষণা, সেমিস্টার এক্সচেঞ্জ, যৌথ ডিগ্রি কর্মসূচি এবং অন্যান্য একাডেমিক কার্যক্রম সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।

সাক্ষাৎ শেষে উপাচার্য এবং পাকিস্তানের হাই কমিশনার বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগ পরিদর্শন করেন। পরে পাকিস্তান হাইকমিশনের সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠিত নতুন কম্পিউটার ল্যাব এবং সংস্কারকৃত শ্রেণিকক্ষ উদ্বোধন করেন তারা।

এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তানের হাই কমিশনার ইমরান হায়দার এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার। অনুষ্ঠানে বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন।

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, “১৯২১ সালের ১ জুলাই প্রতিষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী বিভাগ। শতবর্ষেরও বেশি সময় ধরে বিভাগটি ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। বর্তমানে এই বিভাগে স্নাতক (সম্মান), স্নাতকোত্তর, এমফিল এবং পিএইচডি কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।” তিনি উর্দু বিভাগের সার্বিক উন্নয়নে সহযোগিতার জন্য পাকিস্তান হাই কমিশনকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “বিভাগের শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে পাকিস্তান হাইকমিশনের সহযোগিতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশা করি। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের জনগণের মধ্যে বিদ্যমান ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাগত সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে পারস্পরিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াত এমপি নজরুলের বিয়ের কাবিননামা নিয়ে চাঞ্চল্য, কাজী জানালেন অজানা তথ্য

বাংলাদেশ-পাকিস্তান একাডেমিক সহযোগিতা জোরদারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও পাকিস্তান হাইকমিশনের আগ্রহ

আপডেট সময় : ০৯:২৯:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে শিক্ষা, গবেষণা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময় এবং যৌথ একাডেমিক কার্যক্রম সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তান হাইকমিশন। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে।

মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাই কমিশনার ইমরান হায়দারের সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং পাকিস্তানের বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শিক্ষা, গবেষণা, সংস্কৃতি ও মানবসম্পদ উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করে। এ সময় শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময়, যৌথ গবেষণা, সেমিস্টার এক্সচেঞ্জ, যৌথ ডিগ্রি কর্মসূচি এবং অন্যান্য একাডেমিক কার্যক্রম সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।

সাক্ষাৎ শেষে উপাচার্য এবং পাকিস্তানের হাই কমিশনার বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগ পরিদর্শন করেন। পরে পাকিস্তান হাইকমিশনের সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠিত নতুন কম্পিউটার ল্যাব এবং সংস্কারকৃত শ্রেণিকক্ষ উদ্বোধন করেন তারা।

এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তানের হাই কমিশনার ইমরান হায়দার এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার। অনুষ্ঠানে বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন।

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, “১৯২১ সালের ১ জুলাই প্রতিষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী বিভাগ। শতবর্ষেরও বেশি সময় ধরে বিভাগটি ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। বর্তমানে এই বিভাগে স্নাতক (সম্মান), স্নাতকোত্তর, এমফিল এবং পিএইচডি কর্মসূচি পরিচালিত হচ্ছে।” তিনি উর্দু বিভাগের সার্বিক উন্নয়নে সহযোগিতার জন্য পাকিস্তান হাই কমিশনকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “বিভাগের শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে পাকিস্তান হাইকমিশনের সহযোগিতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশা করি। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের জনগণের মধ্যে বিদ্যমান ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাগত সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে পারস্পরিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”