চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার উথলী রেলস্টেশনে ঢাকা ও রাজশাহীগামী আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় যাত্রী ও এলাকাবাসী। মঙ্গলবার বিকেলে খুলনাগামী রূপসা এক্সপ্রেস ট্রেনটি কিছু সময় থামিয়ে রেখে এই প্রতিবাদ জানানো হয়। পরে রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন আন্দোলনকারীরা।
বিক্ষোভকারীরা জানান, উথলী রেলস্টেশনটি জীবননগর উপজেলার একমাত্র সচল রেল যোগাযোগ কেন্দ্র। সম্প্রতি এই স্টেশনে নতুন প্ল্যাটফর্ম নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হওয়ায় যাত্রীসেবা সম্প্রসারণের ব্যাপক সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। জীবননগর উপজেলার পাশাপাশি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন এই স্টেশন ব্যবহার করে যাতায়াত করেন। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবীদের কাছে এই স্টেশনের গুরুত্ব অপরিসীম।
আন্দোলনরতদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা ও রাজশাহীগামী কোনো গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃনগর ট্রেন উথলী স্টেশনে যাত্রাবিরতি না দেওয়ায় সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বর্তমানে যাত্রীদের বাধ্য হয়ে অনেক দূরের স্টেশন থেকে ট্রেনে উঠতে হচ্ছে, যা সময় ও অর্থ উভয়েরই অপচয় ঘটাচ্ছে। এই সমস্যা সমাধানে স্থানীয়রা দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছেন।
স্মারকলিপিতে বিশেষভাবে ঢাকাগামী বেনাপোল এক্সপ্রেস এবং রাজশাহীগামী কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রাবিরতি চালুর দাবি জানানো হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, এই দুটি ট্রেনের স্টপেজ নিশ্চিত হলে ওই অঞ্চলের লক্ষাধিক মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ ও গতিশীল হবে। স্মারকলিপির অনুলিপি রেলপথ মন্ত্রী, বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক (পশ্চিম) এবং জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কাছেও পাঠানো হয়েছে।
বিক্ষোভ কর্মসূচিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে।
রিপোর্টারের নাম 
























