বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) ক্যাম্পাসে অবস্থিত ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালায়েড সায়েন্সেস (নিনমাস)-এ গবেষণা ও রোগ নির্ণয় সেবাকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে নতুন একটি রিসার্চ সেল এবং আধুনিক গ্রন্থাগার উদ্বোধন করা হয়েছে। এছাড়াও ডি ব্লকের ১১তলায় নিনমাসের ‘নিউক্লিয়ার ক্যাফে’রও উদ্বোধন করা হয়।
মঙ্গলবার বিএমইউর ডি ব্লকে এক আনুষ্ঠানিক আয়োজনের মাধ্যমে এসব নতুন সেবার সূচনা করা হয়। এরপর নিনমাসের অধ্যাপক ডা. কামালউদ্দিন আহমেদ অডিটোরিয়ামে প্রাক্তন ও বর্তমান অধ্যাপক, চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, রেসিডেন্ট শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অংশগ্রহণে মতবিনিময়, উদ্বোধনী ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা নিউক্লিয়ার মেডিসিনের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, এটি বিজ্ঞান, চিকিৎসাসেবা, গবেষণা ও মানবকল্যাণের এক অনন্য সমন্বয়। রোগ নির্ণয় থেকে শুরু করে আধুনিক চিকিৎসার বিভিন্ন পর্যায়ে এই বিশেষায়িত শাখা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। তারা আরও জানান, নিনমাসের বর্তমান পরিচালক অধ্যাপক ডা. এ. কে. এম. ফজলুল বারীর নেতৃত্বে চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি গবেষণার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। এর অংশ হিসেবেই নতুন রিসার্চ সেল প্রতিষ্ঠা, ডিজিটাল গ্রন্থাগারের আধুনিকায়ন এবং সহকর্মীদের জন্য নিউক্লিয়ার ক্যাফের পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বাংলাদেশের নিউক্লিয়ার মেডিসিনের অন্যতম পথিকৃৎ অধ্যাপক ডা. এম. এ. করিমের অসামান্য অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আধুনিকায়িত গ্রন্থাগারের নামকরণ করা হয়েছে ‘ডা. এম. এ. করিম গ্রন্থাগার’।
এ সময় নিনমাসের কার্যক্রম নিয়ে একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়। এরপর সহযোগী অধ্যাপক ডা. পাপড়ি মুৎসুদ্দী এবং অধ্যাপক ডা. নাসরিন সুলতানা বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
অনুষ্ঠানে নিনমাসের প্রাক্তন অধ্যাপক, চিকিৎসক ও বিজ্ঞানীরা তাদের স্মৃতিচারণ করেন এবং প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও গবেষণাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
সভায় নিনমাসের পরিচালক অধ্যাপক ডা. এ. কে. এম. ফজলুল বারী বলেন, গবেষণা ও চিকিৎসাসেবাকে আরও সম্প্রসারিত এবং গতিশীল করে দেশের রোগীদের জন্য উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে নিনমাস ভবিষ্যতেও নিরলসভাবে কাজ করে যাবে।
রিপোর্টারের নাম 

























