ঢাকা ১০:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

এস আলম ও পি কে হালদারের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ: ১১ জনের জবানবন্দি শেষ

ক্ষমতার অপব্যবহার ও জালিয়াতির মাধ্যমে ঋণ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে। রোববার ঢাকার পাঁচ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে মামলার ১১তম সাক্ষীর জবানবন্দি ও জেরা সম্পন্ন হয়েছে।

আদালতে এদিন ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট আসাদুল আজাদ সাক্ষ্য প্রদান করেন। তার জবানবন্দি শেষে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাকে জেরা করেন। তবে অন্য এক আসামির পক্ষে জেরা পেছানোর আবেদন করায় আদালত আগামী ৯ আগস্ট পরবর্তী তারিখ ধার্য করেছেন। সেদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য গ্রহণের কথা রয়েছে, যার মাধ্যমে এই পর্বের কার্যক্রম শেষ হবে।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ২০১৩ সালে একটি নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের নামে সাড়ে ৩২ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে তা অন্য একটি প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তর করেন। এই অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলাটি দায়ের করে। বর্তমানে মামলার কয়েকজন আসামি কারাগারে থাকলেও এস আলম ও পি কে হালদারসহ অধিকাংশ আসামিই পলাতক রয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফিফা বিশ্বকাপের সেরা রদ্রি, গোল্ডেন গ্লাভস সিমনের; গোল্ডেন বুট এমবাপ্পের

এস আলম ও পি কে হালদারের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ: ১১ জনের জবানবন্দি শেষ

আপডেট সময় : ০৮:০৩:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

ক্ষমতার অপব্যবহার ও জালিয়াতির মাধ্যমে ঋণ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদারসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে। রোববার ঢাকার পাঁচ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে মামলার ১১তম সাক্ষীর জবানবন্দি ও জেরা সম্পন্ন হয়েছে।

আদালতে এদিন ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট আসাদুল আজাদ সাক্ষ্য প্রদান করেন। তার জবানবন্দি শেষে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা তাকে জেরা করেন। তবে অন্য এক আসামির পক্ষে জেরা পেছানোর আবেদন করায় আদালত আগামী ৯ আগস্ট পরবর্তী তারিখ ধার্য করেছেন। সেদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য গ্রহণের কথা রয়েছে, যার মাধ্যমে এই পর্বের কার্যক্রম শেষ হবে।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ২০১৩ সালে একটি নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের নামে সাড়ে ৩২ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে তা অন্য একটি প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তর করেন। এই অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলাটি দায়ের করে। বর্তমানে মামলার কয়েকজন আসামি কারাগারে থাকলেও এস আলম ও পি কে হালদারসহ অধিকাংশ আসামিই পলাতক রয়েছেন।