ঢাকা ০৭:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

নরসিংদীতে দুই সরকারি হাসপাতালে র‍্যাবের হানা: ১২ দালাল আটক, ৮ জনের কারাদণ্ড

নরসিংদীর দুটি সরকারি হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে দালাল চক্রের ১২ জন সদস্যকে আটক করেছে র‍্যাব-১১ ও জেলা প্রশাসন। রোববার সকালে নরসিংদী সদর হাসপাতাল ও ১০০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম এবং র‍্যাব-১১-এর ক্যাম্প কমান্ডার মো. আরিফুল ইসলাম।

আটককৃতদের মধ্যে ২ জন নারী ও ১০ জন পুরুষ রয়েছেন। আটকের পর ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে এবং বাকি ৪ জনকে প্রাথমিক সতর্কবার্তা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। সাজাপ্রাপ্তরা হলেন—মো. শাহানশাহ, মো. হোসেন, মো. তপু, আয়েশা আক্তার, আসমা আক্তার, রিয়াদ, সাজেদুল ইসলাম ও হোসেন।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালের মূল ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে অসহায় রোগীদের টার্গেট করত। তারা রোগীদের ভুল বুঝিয়ে বেসরকারি ক্লিনিকে পাঠানোসহ নানাভাবে হয়রানি ও অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার সঙ্গে জড়িত ছিল। জনস্বার্থে হাসপাতালের পরিবেশ উন্নত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণের করের প্রতিটি টাকার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা

নরসিংদীতে দুই সরকারি হাসপাতালে র‍্যাবের হানা: ১২ দালাল আটক, ৮ জনের কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ১১:১৪:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

নরসিংদীর দুটি সরকারি হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে দালাল চক্রের ১২ জন সদস্যকে আটক করেছে র‍্যাব-১১ ও জেলা প্রশাসন। রোববার সকালে নরসিংদী সদর হাসপাতাল ও ১০০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম এবং র‍্যাব-১১-এর ক্যাম্প কমান্ডার মো. আরিফুল ইসলাম।

আটককৃতদের মধ্যে ২ জন নারী ও ১০ জন পুরুষ রয়েছেন। আটকের পর ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে এবং বাকি ৪ জনকে প্রাথমিক সতর্কবার্তা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। সাজাপ্রাপ্তরা হলেন—মো. শাহানশাহ, মো. হোসেন, মো. তপু, আয়েশা আক্তার, আসমা আক্তার, রিয়াদ, সাজেদুল ইসলাম ও হোসেন।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালের মূল ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে অসহায় রোগীদের টার্গেট করত। তারা রোগীদের ভুল বুঝিয়ে বেসরকারি ক্লিনিকে পাঠানোসহ নানাভাবে হয়রানি ও অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার সঙ্গে জড়িত ছিল। জনস্বার্থে হাসপাতালের পরিবেশ উন্নত করতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।