ঢাকা ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

তিস্তার পানি বিপদসীমার কাছাকাছি: উত্তরাঞ্চলের ৫ জেলায় বন্যার আশঙ্কা

উজানে ভারতের পাহাড়ি ঢল আর টানা ভারি বর্ষণে উত্তরাঞ্চলের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি দ্রুত বাড়ছে। বিশেষ করে তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম জেলার নিম্নাঞ্চলগুলোতে বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি এখন বিপদসীমার খুব কাছ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পাউবো সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে তিস্তায় পানিপ্রবাহ এটি চতুর্থবারের মতো বৃদ্ধি। নদীর তীরবর্তী চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলের অনেক ঘরবাড়িতে ইতিমধ্যে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। এতে গবাদি পশু ও শিশুদের নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে এখন আতঙ্ক বিরাজ করছে, বিশেষ করে যারা দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়া বাঁধের পাশে বসবাস করছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, শুকনো মৌসুমে যথাযথভাবে বাঁধ সংস্কার না করায় এখন পানির চাপে সেগুলো ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। প্রতি বছর বর্ষা এলে জরুরি মেরামতের নামে বিপুল অর্থ ব্যয় করা হলেও স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না বলে তারা দাবি করেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছেন এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। উজানের পানি আসা অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক দিনে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নেত্রকোণার পূর্বধলায় কৃষক দল নেতাকে মারধর করে টাকা ও মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের অভিযোগ

তিস্তার পানি বিপদসীমার কাছাকাছি: উত্তরাঞ্চলের ৫ জেলায় বন্যার আশঙ্কা

আপডেট সময় : ১০:০০:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

উজানে ভারতের পাহাড়ি ঢল আর টানা ভারি বর্ষণে উত্তরাঞ্চলের প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি দ্রুত বাড়ছে। বিশেষ করে তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম জেলার নিম্নাঞ্চলগুলোতে বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি এখন বিপদসীমার খুব কাছ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পাউবো সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে তিস্তায় পানিপ্রবাহ এটি চতুর্থবারের মতো বৃদ্ধি। নদীর তীরবর্তী চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলের অনেক ঘরবাড়িতে ইতিমধ্যে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। এতে গবাদি পশু ও শিশুদের নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে এখন আতঙ্ক বিরাজ করছে, বিশেষ করে যারা দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়া বাঁধের পাশে বসবাস করছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, শুকনো মৌসুমে যথাযথভাবে বাঁধ সংস্কার না করায় এখন পানির চাপে সেগুলো ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। প্রতি বছর বর্ষা এলে জরুরি মেরামতের নামে বিপুল অর্থ ব্যয় করা হলেও স্থায়ী সমাধান হচ্ছে না বলে তারা দাবি করেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছেন এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। উজানের পানি আসা অব্যাহত থাকলে আগামী কয়েক দিনে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।