ঢাকা ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

‘আমার ছেলেকে কেন মরতে হলো?’ ৪ বছরের শহীদ আহাদ হত্যার বিচার চান বাবা

২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের রক্তঝরা দিনগুলোতে অকালে ঝরে পড়া সর্বকনিষ্ঠ প্রাণের নাম আব্দুল আহাদ। মাত্র চার বছর বয়সী এই শিশুটি রাজধানীর রায়েরবাগে নিজ বাসার বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় গুলিবিদ্ধ হয়। ১৯ জুলাই বিকেলে যখন নিচে আন্দোলনকারী ছাত্র ও আওয়ামী লীগ সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ চলছিল, তখন কৌতূহলী আহাদ বারান্দা থেকে পরিস্থিতি দেখছিল। ঠিক সেই মুহূর্তে নিচ থেকে আসা একটি বুলেট বিদ্ধ হয় তার ডান চোখে।

ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যুর বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন বাবা আবুল হাসান। তিনি জানান, বৃষ্টির মতো গুলির শব্দ আর সাউন্ড গ্রেনেডের আওয়াজে ঘুম ভেঙে গিয়েছিল আহাদের। বারান্দায় গিয়ে দাঁড়াতেই মুহূর্তের মধ্যে সব শেষ হয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। পরদিন ২০ জুলাই আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় না ফেরার দেশে চলে যায় ছোট্ট আহাদ। বর্তমানে ফরিদপুরের গ্রামের বাড়িতে চিরনিদ্রায় শায়িত আছে এই নিষ্পাপ শিশু। এখন কেবল এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচারই একমাত্র দাবি শোকাতুর এই বাবার।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দিল্লিতে নতুন রাজনৈতিক চাপানউতোর: নিট বিতর্ক ও কৃষকদের আন্দোলনে উত্তপ্ত রাজধানী

‘আমার ছেলেকে কেন মরতে হলো?’ ৪ বছরের শহীদ আহাদ হত্যার বিচার চান বাবা

আপডেট সময় : ০৮:৫২:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের রক্তঝরা দিনগুলোতে অকালে ঝরে পড়া সর্বকনিষ্ঠ প্রাণের নাম আব্দুল আহাদ। মাত্র চার বছর বয়সী এই শিশুটি রাজধানীর রায়েরবাগে নিজ বাসার বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় গুলিবিদ্ধ হয়। ১৯ জুলাই বিকেলে যখন নিচে আন্দোলনকারী ছাত্র ও আওয়ামী লীগ সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ চলছিল, তখন কৌতূহলী আহাদ বারান্দা থেকে পরিস্থিতি দেখছিল। ঠিক সেই মুহূর্তে নিচ থেকে আসা একটি বুলেট বিদ্ধ হয় তার ডান চোখে।

ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যুর বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন বাবা আবুল হাসান। তিনি জানান, বৃষ্টির মতো গুলির শব্দ আর সাউন্ড গ্রেনেডের আওয়াজে ঘুম ভেঙে গিয়েছিল আহাদের। বারান্দায় গিয়ে দাঁড়াতেই মুহূর্তের মধ্যে সব শেষ হয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। পরদিন ২০ জুলাই আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় না ফেরার দেশে চলে যায় ছোট্ট আহাদ। বর্তমানে ফরিদপুরের গ্রামের বাড়িতে চিরনিদ্রায় শায়িত আছে এই নিষ্পাপ শিশু। এখন কেবল এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচারই একমাত্র দাবি শোকাতুর এই বাবার।