ঢাকা ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

অনিশ্চয়তা কাটিয়ে একনেকে উঠছে ২৬ হাজার কোটি টাকার ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প

দীর্ঘ ছয় মাসের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে অবশেষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপিত হতে যাচ্ছে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধনী প্রস্তাব। আগামী বুধবার অনুষ্ঠেয় এই সভায় প্রকল্পটির চূড়ান্ত অনুমোদনের সম্ভাবনা রয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করবেন সরকারপ্রধান।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এই প্রকল্পের সংশোধনী অনুমোদিত হলে এর নকশায় তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ যুক্ত হবে। এর মধ্যে রয়েছে বাইপাইল ইন্টারচেঞ্জ, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালে সরাসরি যাতায়াত সুবিধা এবং নির্মাণাধীন এমআরটি লাইন-১ বা পাতাল মেট্রোরেলের সঙ্গে সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থা। এই সংযোজনগুলোর ফলে রাজধানীর সড়ক নেটওয়ার্কের কার্যকারিতা বহুগুণ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়ে জানা গেছে, শুরুতে এই কাজের জন্য ১৬ হাজার ৯০১ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকলেও বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ২৬ হাজার ৫৮১ কোটি টাকায়। অর্থাৎ মূল ব্যয়ের তুলনায় খরচ বাড়ছে প্রায় ৫৫ শতাংশ। ডলারের দাম বৃদ্ধি, নতুন অবকাঠামো সংযোজন, ভূমি অধিগ্রহণ এবং নির্মাণ সামগ্রীর শুল্ক বেড়ে যাওয়ায় এই ব্যয় পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, প্রায় ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই এক্সপ্রেসওয়েটি রাজধানীর কাওলা থেকে শুরু হয়ে আব্দুল্লাহপুর, আশুলিয়া ও বাইপাইল হয়ে সাভার ইপিজেড সংলগ্ন শ্রীপুর পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে চীন ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে, যেখানে বড় একটি অংশ ঋণ হিসেবে দিচ্ছে চীন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নেত্রকোণার পূর্বধলায় কৃষক দল নেতাকে মারধর করে টাকা ও মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের অভিযোগ

অনিশ্চয়তা কাটিয়ে একনেকে উঠছে ২৬ হাজার কোটি টাকার ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প

আপডেট সময় : ১০:০০:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

দীর্ঘ ছয় মাসের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে অবশেষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপিত হতে যাচ্ছে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধনী প্রস্তাব। আগামী বুধবার অনুষ্ঠেয় এই সভায় প্রকল্পটির চূড়ান্ত অনুমোদনের সম্ভাবনা রয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করবেন সরকারপ্রধান।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এই প্রকল্পের সংশোধনী অনুমোদিত হলে এর নকশায় তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ যুক্ত হবে। এর মধ্যে রয়েছে বাইপাইল ইন্টারচেঞ্জ, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালে সরাসরি যাতায়াত সুবিধা এবং নির্মাণাধীন এমআরটি লাইন-১ বা পাতাল মেট্রোরেলের সঙ্গে সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থা। এই সংযোজনগুলোর ফলে রাজধানীর সড়ক নেটওয়ার্কের কার্যকারিতা বহুগুণ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়ে জানা গেছে, শুরুতে এই কাজের জন্য ১৬ হাজার ৯০১ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকলেও বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ২৬ হাজার ৫৮১ কোটি টাকায়। অর্থাৎ মূল ব্যয়ের তুলনায় খরচ বাড়ছে প্রায় ৫৫ শতাংশ। ডলারের দাম বৃদ্ধি, নতুন অবকাঠামো সংযোজন, ভূমি অধিগ্রহণ এবং নির্মাণ সামগ্রীর শুল্ক বেড়ে যাওয়ায় এই ব্যয় পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, প্রায় ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই এক্সপ্রেসওয়েটি রাজধানীর কাওলা থেকে শুরু হয়ে আব্দুল্লাহপুর, আশুলিয়া ও বাইপাইল হয়ে সাভার ইপিজেড সংলগ্ন শ্রীপুর পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে চীন ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে, যেখানে বড় একটি অংশ ঋণ হিসেবে দিচ্ছে চীন।