শ্রীলঙ্কা সফরে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির প্রস্তুতিতে হোঁচট খেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। টেস্ট সিরিজে লঙ্কানদের পাত্তাই না দিলেও, ওয়ানডে সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক। দুই ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথের দল হোয়াইটওয়াশ হয়েছে। প্রথম ওয়ানডেতে ৪৯ রানে এবং দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ১৭৪ রানের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত হয় অস্ট্রেলিয়া।
অস্ট্রেলিয়া দলে নিয়মিত অধিনায়ক প্যাট কামিন্স, জশ হ্যাজলউড ও মিচেল মার্শের মতো তারকারা অনুপস্থিত। এর ওপর মার্কাস স্টয়নিসের হঠাৎ অবসর এবং মিচেল স্টার্কের নাম প্রত্যাহার দলটিকে আরও দুর্বল করে তুলেছে। চোটের কারণে বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়কে ছাড়াই বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে অংশ নিতে হচ্ছে অস্ট্রেলিয়াকে। তবে এই প্রতিকূলতার মধ্যেও আপদকালীন অধিনায়ক স্মিথ চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ভালো কিছু করার প্রত্যাশা করছেন এবং তরুণদের ওপর আস্থা রাখছেন।
হাল ছেড়ে না দিয়ে স্মিথ চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে নিজের দায়িত্বটা সঠিকভাবে পালন করতে চান। তিনি বলেন, “আমি মনে করি তারা সবাই নিজেদের স্বতন্ত্র দক্ষতা নিয়ে এসেছে। আমার কাজটা হচ্ছে তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে সঠিক সময়ে সঠিক বোলিং অপশন ব্যবহার করা।”
পেস আক্রমণে থাকা তরুণ ক্রিকেটার নাথান এলিস, বেন দারউইস ও স্পেন্সার জনসনদের ওপর স্মিথ বিশেষ আস্থা রাখছেন। তিনি জানান, “তারা নিজেদের কাজটা ভিন্নভাবে করে। বল ডাউন দ্য লাইনে সুইং করাতে পছন্দ করে দারউইস-জনসনরা। শনের (অ্যাবট) লাইন-লেংথ ভয়াবহ (ভালো), নাথান এলিসও প্রয়োজনমতো বোলিং কৌশলে পরিবর্তন আনতে পারে।”
অস্ট্রেলিয়ার স্পিন আক্রমণ নিয়েও আশাবাদী স্মিথ। তার ভাষ্য, “আমাদের একাধিক ভালো স্পিনার আছে, (অ্যাডাম) জাম্পা এবং তানভীরের (সাঙ্ঘা) ভালো দক্ষতা আছে। এছাড়া (গ্লেন) ম্যাক্সওয়েল এবং (ম্যাথু) শর্টের মতো পার্টটাইম অপশন ব্যবহারেরও সুযোগ থাকছে।”
রিপোর্টারের নাম 

























