২০২৬ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের সাফল্যের অন্যতম প্রধান কারিগর হয়ে উঠেছেন তরুণ মিডফিল্ডার জুড বেলিংহ্যাম। গোল, অ্যাসিস্ট এবং গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে তিনি থ্রি লায়ন্সদের সেমিফাইনালে পৌঁছাতে অবিস্মরণীয় ভূমিকা রেখেছেন। টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই তাঁর ঝলক দেখা যায়, ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে গোল করে তিনি নিজের বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করেন।
এরপর পানামার বিপক্ষে একটি গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করে দলের জয়ে বড় অবদান রাখেন। নকআউট পর্বে বেলিংহ্যাম নিজের সেরা ছন্দে ফেরেন। কোয়ার্টার ফাইনালে মেক্সিকোর বিপক্ষে জোড়া গোল করার পর নরওয়ের বিপক্ষেও করেন আরও দুটি গোল। অতিরিক্ত সময়ের নাটকীয় সেই ম্যাচে তাঁর জোড়া গোলেই ২-১ ব্যবধানে জিতে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড।
এ পর্যন্ত ছয় ম্যাচে বেলিংহ্যামের অবদান ৬ গোল ও ১ অ্যাসিস্ট। পাশাপাশি তিনি চারবার জিতেছেন ম্যাচসেরা (ম্যান অব দ্য ম্যাচ) পুরস্কার, যা তাঁকে এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম সেরা পারফর্মারে পরিণত করেছে। রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকা মিডফিল্ডার একটি নতুন মাইলফলকও স্পর্শ করেছেন; বিশ্বকাপের এক আসরে ৬ গোল করা প্রথম মিডফিল্ডার হিসেবে তাঁর নাম ইতিহাসের পাতায় যুক্ত হয়েছে। নরওয়ের বিপক্ষে জোড়া গোলের পরই তিনি এই রেকর্ড গড়েন।
এখন সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের সামনে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। লিওনেল মেসিদের বিপক্ষে এই বড় পরীক্ষাতেও ইংলিশদের প্রধান ভরসা থাকবেন বেলিংহ্যাম। তাঁর এই দুর্দান্ত ফর্ম অব্যাহত থাকলে বহু প্রতীক্ষিত বিশ্বকাপ শিরোপার স্বপ্ন আরও জোরালো হতে পারে থ্রি লায়ন্সদের।
রিপোর্টারের নাম 

























