ঢাকা ০৯:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

কক্সবাজারে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি: ভেসে উঠছে ক্ষয়ক্ষতির ভয়াবহ চিত্র

কক্সবাজারে টানা ৯ দিনের ভারী বর্ষণ ও বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। দশম দিনে বৃষ্টিপাত কমে আসায় প্লাবিত এলাকাগুলো থেকে পানি নামতে শুরু করেছে। পানি নামার সাথে সাথেই দৃশ্যমান হচ্ছে বন্যার তাণ্ডবে সৃষ্ট ভয়াবহ ক্ষতচিহ্ন। জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি এবং ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক হিসাব নিরূপণের কাজ শুরু করেছে।

জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, গত ৪ থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত জেলায় ৮২৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এই দুর্যোগে ৭১টি ইউনিয়ন ও ৫টি পৌরসভার মধ্যে ৭০টি ইউনিয়ন ও ৪টি পৌরসভা প্লাবিত হয়, যার ফলে অন্তত আড়াই লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েন। পাহাড় ধস ও পানিতে ডুবে ১৩ জন রোহিঙ্গা শিশুসহ মোট ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং একজন নিখোঁজ রয়েছেন। এছাড়া ১,৬১৩টি বাড়িঘর, ৩০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ২,০৪৮ কিলোমিটার সড়কসহ ৭৯টি সেতু ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরি এলাকা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরায়েলি কারাগারে ফিলিস্তিনি বন্দিদের ওপর অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ

কক্সবাজারে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি: ভেসে উঠছে ক্ষয়ক্ষতির ভয়াবহ চিত্র

আপডেট সময় : ০৮:২২:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

কক্সবাজারে টানা ৯ দিনের ভারী বর্ষণ ও বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। দশম দিনে বৃষ্টিপাত কমে আসায় প্লাবিত এলাকাগুলো থেকে পানি নামতে শুরু করেছে। পানি নামার সাথে সাথেই দৃশ্যমান হচ্ছে বন্যার তাণ্ডবে সৃষ্ট ভয়াবহ ক্ষতচিহ্ন। জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি এবং ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক হিসাব নিরূপণের কাজ শুরু করেছে।

জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, গত ৪ থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত জেলায় ৮২৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এই দুর্যোগে ৭১টি ইউনিয়ন ও ৫টি পৌরসভার মধ্যে ৭০টি ইউনিয়ন ও ৪টি পৌরসভা প্লাবিত হয়, যার ফলে অন্তত আড়াই লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েন। পাহাড় ধস ও পানিতে ডুবে ১৩ জন রোহিঙ্গা শিশুসহ মোট ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং একজন নিখোঁজ রয়েছেন। এছাড়া ১,৬১৩টি বাড়িঘর, ৩০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ২,০৪৮ কিলোমিটার সড়কসহ ৭৯টি সেতু ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরি এলাকা।