বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, তিনি বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়াতে এসেছেন। শুক্রবার চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এই কথা বলেন। স্থানীয়রা তাকে ‘দাদু’ সম্বোধন করে স্বাগত জানান।
ডা. শফিকুর রহমান গুনাগরি এলাকার ২ নম্বর ওয়ার্ডে বন্যাকবলিতদের খোঁজখবর নেন। তিনি লাবুর দোকানের পাশে একটি অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে যান, যেখানে তিন দিন ধরে পানিবন্দি হয়ে থাকা শতাধিক পরিবারের হাতে নগদ অর্থ ও ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন। ত্রাণ বিতরণ শেষে তিনি কোমরসমান পানি মাড়িয়ে একের পর এক বাড়িতে পৌঁছে মানুষের দুর্ভোগ দেখেন এবং তাদের সাহস জোগান।
স্থানীয় বাসিন্দা আহমেদ হোসেন জানান, অনেকেই এসেছে, ছবি তুলে চলে গেছে। কিন্তু ডা. শফিকুর রহমান তাদের ঘরের সামনে পর্যন্ত এসে খোঁজ নিয়েছেন। আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা ফারাছা বেগম বলেন, ‘উনি এসে আমাদের কথা শুনেছেন। সাহায্য দিয়েছেন। এতে মনে হচ্ছে কেউ অন্তত আমাদের কথা ভাবছে।’ তরুণ রুবেল হোসেন বলেন, ‘মানুষ তাকে ‘দাদু’ বলে ডাকে। আজ দেখলাম, ডাক শুনে তিনি মানুষের কাছেই চলে গেলেন। নিরাপদ জায়গায় দাঁড়িয়ে ত্রাণ দিয়ে ফিরে যাননি।’
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্যমতে, গুনাগরির প্রায় ৩০০টি বাড়ি পানির নিচে তলিয়ে গেছে এবং অনেক পরিবার তিন দিন ধরে ঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছে। তারা স্কুল, দোকানের দোতলায় বা আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ডা. শফিকুর রহমানের উপস্থিতি বন্যাকবলিতদের মধ্যে সাহস জুগিয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 

























