মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে সারা দেশে ভারী বৃষ্টিপাতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ভোর থেকে প্রবল বর্ষণে রাজধানীর কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকার রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে গেছে। একই চিত্র দেখা গেছে চট্টগ্রাম বন্দরনগরীতেও, যেখানে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক জলাবদ্ধতা। এছাড়া, চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চলে ভূমিধসের ঘটনাও ঘটেছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আজ শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ ২১১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এই সময়ে রাজধানী ঢাকায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল ২৮ মিলিমিটার। তবে আজ ভোর ৬টার পর থেকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির তীব্রতা আরও বেড়েছে, যার ফলে প্রধান প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে অলিগলিতেও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে এই মাসে বৃষ্টি কম-বেশি অব্যাহত থাকবে। বিশেষ করে, বর্তমানের এই ভারী বৃষ্টি আগামী রোববার (১২ জুলাই) পর্যন্ত চলতে পারে। বৈরী আবহাওয়া ও সাগর উত্তাল থাকার কারণে দেশের সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
এছাড়াও, দেশের নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্র। আজ শুক্রবার সকালে দেওয়া পূর্বাভাসে বলা হয়, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
রিপোর্টারের নাম 






















