ঢাকা ০৯:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

তেহরানের পর কোমেও খামেনির জানাজায় শোকার্ত মানুষের জনসমুদ্র

ইরানের রাজধানী তেহরানে কয়েক দফা শোকানুষ্ঠান শেষে পবিত্র নগরী কোমে ইসলামি বিপ্লবের প্রয়াত নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজায় লাখো মানুষের ঢল নেমেছে। মঙ্গলবার সকালে জামকারান মসজিদে অনুষ্ঠিত এই জানাজায় ইমামতি করেন প্রখ্যাত আলেম গ্র্যান্ড আয়াতুল্লাহ আবদুল্লাহ জাওয়াদি আমোলি। জানাজায় অংশ নিতে সোমবার রাত থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আলেম, সরকারি কর্মকর্তা ও সামরিক বাহিনীর সদস্যসহ সাধারণ মানুষ কোমে সমবেত হতে থাকেন।

গত শুক্রবার তেহরানের ইমাম খোমেনি মোসাল্লায় খামেনির মরদেহ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হয়েছিল। সেখানে বিদেশি প্রতিনিধি ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বরা শেষ বিদায় জানান। মঙ্গলবার কোমে জানাজা শেষে শোকযাত্রাটি হজরত ফাতিমা মাসুমার মাজারের দিকে অগ্রসর হয়। বুধবার মরদেহ ইরাকে নিয়ে যাওয়া হবে এবং বৃহস্পতিবার উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদ শহরে ইমাম রেজার মাজারে তাঁর শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী দাফন সম্পন্ন হবে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে শুরু হওয়া সংঘাতের প্রথম দিনে আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলি খামেনি ও তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্য নিহত হন। দীর্ঘদিনের এই নেতার মৃত্যুতে ইরানে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁর মৃত্যুর পর দেশটির বিশেষজ্ঞ পরিষদ ইতিমধ্যে আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মোজতবা হোসেইনি খামেনিকে ইসলামি বিপ্লবের নতুন নেতা হিসেবে মনোনীত করেছে।

কোমের রাজপথগুলোতে শোকাতুর মানুষের ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনীকে। জানাজায় অংশগ্রহণকারীরা লাল পতাকা ও ইরানের জাতীয় পতাকা বহন করে তাঁদের নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানান। ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের ইতিহাসে এটি অন্যতম বৃহৎ শোক সমাবেশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কুমিল্লায় গোমতী নদীর চরে অজ্ঞাত ব্যক্তির ভাসমান মরদেহ উদ্ধার

তেহরানের পর কোমেও খামেনির জানাজায় শোকার্ত মানুষের জনসমুদ্র

আপডেট সময় : ০৯:০২:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

ইরানের রাজধানী তেহরানে কয়েক দফা শোকানুষ্ঠান শেষে পবিত্র নগরী কোমে ইসলামি বিপ্লবের প্রয়াত নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজায় লাখো মানুষের ঢল নেমেছে। মঙ্গলবার সকালে জামকারান মসজিদে অনুষ্ঠিত এই জানাজায় ইমামতি করেন প্রখ্যাত আলেম গ্র্যান্ড আয়াতুল্লাহ আবদুল্লাহ জাওয়াদি আমোলি। জানাজায় অংশ নিতে সোমবার রাত থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আলেম, সরকারি কর্মকর্তা ও সামরিক বাহিনীর সদস্যসহ সাধারণ মানুষ কোমে সমবেত হতে থাকেন।

গত শুক্রবার তেহরানের ইমাম খোমেনি মোসাল্লায় খামেনির মরদেহ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হয়েছিল। সেখানে বিদেশি প্রতিনিধি ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বরা শেষ বিদায় জানান। মঙ্গলবার কোমে জানাজা শেষে শোকযাত্রাটি হজরত ফাতিমা মাসুমার মাজারের দিকে অগ্রসর হয়। বুধবার মরদেহ ইরাকে নিয়ে যাওয়া হবে এবং বৃহস্পতিবার উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদ শহরে ইমাম রেজার মাজারে তাঁর শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী দাফন সম্পন্ন হবে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে শুরু হওয়া সংঘাতের প্রথম দিনে আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলি খামেনি ও তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্য নিহত হন। দীর্ঘদিনের এই নেতার মৃত্যুতে ইরানে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাঁর মৃত্যুর পর দেশটির বিশেষজ্ঞ পরিষদ ইতিমধ্যে আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মোজতবা হোসেইনি খামেনিকে ইসলামি বিপ্লবের নতুন নেতা হিসেবে মনোনীত করেছে।

কোমের রাজপথগুলোতে শোকাতুর মানুষের ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনীকে। জানাজায় অংশগ্রহণকারীরা লাল পতাকা ও ইরানের জাতীয় পতাকা বহন করে তাঁদের নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানান। ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের ইতিহাসে এটি অন্যতম বৃহৎ শোক সমাবেশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।