ঢাকা ০৩:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

রাঙামাটিতে পাহাড় ধসে বৃদ্ধের মৃত্যু, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সতর্কতা: খোলা হয়েছে ৪২ আশ্রয়কেন্দ্র

নিম্নচাপের প্রভাবে টানা তিন দিনের বৃষ্টিপাতে রাঙামাটিতে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে বাঘাইছড়ি উপজেলায় এক বৃদ্ধের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা সদরের পশ্চিম নাইল্যাঘোনা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত লক্ষ্মী বিলাস চাকমা (৬২) ওই এলাকার মৃত ধরনাচাষ্য চাকমার ছেলে।

একই সময়ে জেলা সদরের শিমুলতলী এলাকায় আরও একটি পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটলেও সেখানে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। লাগাতার বৃষ্টির কারণে জেলায় পাহাড় ধসের ঝুঁকি আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে এবং জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন সকাল থেকেই মাঠে নেমেছে। পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসরত ঝুঁকিপূর্ণ মানুষদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার কাজ চলছে। ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, রেড ক্রিসেন্ট এবং রোভার স্কাউট দল সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাঙামাটি জেলায় মোট ৪২টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে, যার মধ্যে রাঙামাটি শহরে পূর্বনির্ধারিত ১১টি আশ্রয়কেন্দ্র অন্তর্ভুক্ত।

জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফি জানিয়েছেন, বৈরী আবহাওয়ায় যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ বসতিদের সরিয়ে নিতে তৎপরতা চালানো হচ্ছে। উল্লেখ্য, গত রোববার থেকেই জেলা প্রশাসন ও রাঙামাটি পৌরসভা কর্তৃপক্ষ মাইকিং করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার ২৮টি স্থানে বসবাসরত মানুষকে নিরাপদে সরে যেতে সতর্ক করছিল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

একাকী মানুষের আজীবন সঙ্গী হবে চীনা রোবট

রাঙামাটিতে পাহাড় ধসে বৃদ্ধের মৃত্যু, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সতর্কতা: খোলা হয়েছে ৪২ আশ্রয়কেন্দ্র

আপডেট সময় : ০২:২১:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

নিম্নচাপের প্রভাবে টানা তিন দিনের বৃষ্টিপাতে রাঙামাটিতে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে, যার ফলে বাঘাইছড়ি উপজেলায় এক বৃদ্ধের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা সদরের পশ্চিম নাইল্যাঘোনা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত লক্ষ্মী বিলাস চাকমা (৬২) ওই এলাকার মৃত ধরনাচাষ্য চাকমার ছেলে।

একই সময়ে জেলা সদরের শিমুলতলী এলাকায় আরও একটি পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটলেও সেখানে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। লাগাতার বৃষ্টির কারণে জেলায় পাহাড় ধসের ঝুঁকি আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে এবং জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসন সকাল থেকেই মাঠে নেমেছে। পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসরত ঝুঁকিপূর্ণ মানুষদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার কাজ চলছে। ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, রেড ক্রিসেন্ট এবং রোভার স্কাউট দল সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাঙামাটি জেলায় মোট ৪২টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে, যার মধ্যে রাঙামাটি শহরে পূর্বনির্ধারিত ১১টি আশ্রয়কেন্দ্র অন্তর্ভুক্ত।

জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফি জানিয়েছেন, বৈরী আবহাওয়ায় যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ বসতিদের সরিয়ে নিতে তৎপরতা চালানো হচ্ছে। উল্লেখ্য, গত রোববার থেকেই জেলা প্রশাসন ও রাঙামাটি পৌরসভা কর্তৃপক্ষ মাইকিং করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার ২৮টি স্থানে বসবাসরত মানুষকে নিরাপদে সরে যেতে সতর্ক করছিল।