ঢাকা ০৪:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে গৃহবধূর মৃত্যু: পারিবারিক কলহের জেরে আত্মহত্যার প্রাথমিক ধারণা

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ফাতেমা বেগম (২৫) নামে এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ভাঙ্গা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাপুড়িয়া সদরদী এলাকার ট্রেন লাইনে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করেছে। নিহত ফাতেমা বেগম চুমুরদী ইউনিয়নের দেলোয়ার হোসেনের মেয়ে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে খুলনা থেকে ঢাকাগামী জাহানাবাদ এক্সপ্রেস ট্রেন কাপুড়িয়া সদরদী এলাকায় পৌঁছালে ফাতেমা বেগম অসাবধানতাবশত ট্রেনের নিচে কাটা পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের কর্মী, রেলওয়ে পুলিশ ও থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহত গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে।

স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, ভাঙ্গার মেয়ে ফাতেমার সঙ্গে পার্শ্ববর্তী মুকসুদপুর উপজেলার কোয়েলদিয়া গ্রামের প্রবাসী সাইফুল ইসলামের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়েছিল। সাইফুল ইসলাম ছুটি শেষে বিদেশে ফিরে যাওয়ার পর ফাতেমা বেগম কাপুড়িয়া সদরদী গ্রামে একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। সম্প্রতি ছুটি নিয়ে সাইফুল ইসলাম দেশে ফিরে আসেন।

ঘটনার দিন সকালে বাসা ভাড়া করে থাকার ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এর জেরে স্বামীর প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে গৃহবধূ ফাতেমা ঘর ছেড়ে বেরিয়ে যান। এর কিছু সময় পরেই ট্রেনে কাটা পড়ে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

রেলওয়ে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাইফুর রহমান জানান, পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পারিবারিক কলহের জের ধরে ফাতেমা বেগম আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহত গৃহবধূর লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে ঝড়ো হাওয়ায় বিঘ্নিত বিমান চলাচল, ৩টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ঢাকায় ডাইভার্ট

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে গৃহবধূর মৃত্যু: পারিবারিক কলহের জেরে আত্মহত্যার প্রাথমিক ধারণা

আপডেট সময় : ০৩:২৬:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ফাতেমা বেগম (২৫) নামে এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ভাঙ্গা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাপুড়িয়া সদরদী এলাকার ট্রেন লাইনে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করেছে। নিহত ফাতেমা বেগম চুমুরদী ইউনিয়নের দেলোয়ার হোসেনের মেয়ে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে খুলনা থেকে ঢাকাগামী জাহানাবাদ এক্সপ্রেস ট্রেন কাপুড়িয়া সদরদী এলাকায় পৌঁছালে ফাতেমা বেগম অসাবধানতাবশত ট্রেনের নিচে কাটা পড়েন এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের কর্মী, রেলওয়ে পুলিশ ও থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহত গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে।

স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, ভাঙ্গার মেয়ে ফাতেমার সঙ্গে পার্শ্ববর্তী মুকসুদপুর উপজেলার কোয়েলদিয়া গ্রামের প্রবাসী সাইফুল ইসলামের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়েছিল। সাইফুল ইসলাম ছুটি শেষে বিদেশে ফিরে যাওয়ার পর ফাতেমা বেগম কাপুড়িয়া সদরদী গ্রামে একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। সম্প্রতি ছুটি নিয়ে সাইফুল ইসলাম দেশে ফিরে আসেন।

ঘটনার দিন সকালে বাসা ভাড়া করে থাকার ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এর জেরে স্বামীর প্রতি ক্ষিপ্ত হয়ে গৃহবধূ ফাতেমা ঘর ছেড়ে বেরিয়ে যান। এর কিছু সময় পরেই ট্রেনে কাটা পড়ে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

রেলওয়ে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) সাইফুর রহমান জানান, পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পারিবারিক কলহের জের ধরে ফাতেমা বেগম আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহত গৃহবধূর লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।