ইউরোপীয় ফুটবলের আকাশে আর্লিং হালান্ড এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম। ক্লাব ফুটবলে ম্যানচেস্টার সিটি বা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে তার গোলের ক্ষুধা সবার জানা থাকলেও, বিশ্বকাপের মঞ্চে তার উপস্থিতি ছিল কেবলই একটি স্বপ্ন। নরওয়ের এই তারকা ফুটবলারকে দীর্ঘ সময় ধরে বিশ্বমঞ্চের বাইরে থাকতে হয়েছে। তবে এবার সেই আক্ষেপ ঘুচিয়ে নিজের দেশকে বিশ্বকাপের মূল পর্বে নিয়ে যাওয়ার কারিগর হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন তিনি।
বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ৮ ম্যাচে ১৬টি গোল এবং ২টি অ্যাসিস্ট করে হালান্ড প্রমাণ করেছেন কেন তাকে বর্তমান সময়ের অন্যতম সেরা স্ট্রাইকার বলা হয়। দীর্ঘ ২৮ বছর পর নরওয়েকে বিশ্বকাপের টিকিট এনে দিয়ে তিনি এখন জাতীয় বীর। মাঠের খেলায় তার গতি, শারীরিক শক্তি এবং নিখুঁত ফিনিশিং প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগের জন্য এক আতঙ্কে পরিণত হয়েছে। ৬ ফুট ৫ ইঞ্চির এই বিশালদেহী স্ট্রাইকার যেন গোল করাকেই নিজের ভাষায় রূপান্তর করেছেন।
মেসি, রোনালদো বা এমবাপ্পেদের মতো মহাতারকাদের ভিড়ে হালান্ড এখন এক নতুন ধ্রুবতারা। বিশ্বকাপে নিজের প্রথম কয়েক ম্যাচেই গোল করে তিনি কিংবদন্তিদের কাতারে নাম লিখিয়েছেন। নরওয়ের ফুটবল ইতিহাসে ১৯৯৮ সালের পর এটিই সবচেয়ে বড় সাফল্য। পুরো জাতি এখন হালান্ডের পায়ের জাদুতে বিশ্বজয়ের স্বপ্ন দেখছে।
রিপোর্টারের নাম 
























