ঢাকা ১০:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

৪০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত তেল মজুত

যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত পেট্রোলিয়াম রিজার্ভে (এসপিআর) অপরিশোধিত তেলের মজুত আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। দেশটির জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, মজুত ৬২ লাখ ব্যারেল কমে বর্তমানে ৩১ কোটি ৯৫ লাখ ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে। এই পরিমাণ ১৯৮৩ সালের এপ্রিল মাসের পর থেকে সর্বনিম্ন।

জ্বালানি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, কৌশলগত মজুত থেকে মোট ১৭ কোটি ২০ লাখ ব্যারেল তেল প্রত্যাহারের একটি পূর্বনির্ধারিত চুক্তির অংশ হিসেবেই এই উল্লেখযোগ্য হ্রাস ঘটেছে। এই মজুত কমে যাওয়া বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতীতে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রভাব এখনো বিশ্বব্যাপী জ্বালানি বাজারে রয়ে গেছে। বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়, যা এর কৌশলগত গুরুত্ব তুলে ধরে।

তবে, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের পর কাতারে পরোক্ষ আলোচনা শুরু হয়েছে। এই আলোচনার ফলে হরমুজ প্রণালি ধীরে ধীরে আবারও জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হচ্ছে, যেখানে নৌপরিবহন স্বাভাবিক রাখার বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে। এই পদক্ষেপ বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্ষমতার পাঁচ মাস: তৃণমূল ও কেন্দ্রে বিএনপির সাংগঠনিক জড়তা কাটাতে কাউন্সিলের অপেক্ষা

৪০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত তেল মজুত

আপডেট সময় : ০৮:৪৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত পেট্রোলিয়াম রিজার্ভে (এসপিআর) অপরিশোধিত তেলের মজুত আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। দেশটির জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, মজুত ৬২ লাখ ব্যারেল কমে বর্তমানে ৩১ কোটি ৯৫ লাখ ব্যারেলে দাঁড়িয়েছে। এই পরিমাণ ১৯৮৩ সালের এপ্রিল মাসের পর থেকে সর্বনিম্ন।

জ্বালানি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, কৌশলগত মজুত থেকে মোট ১৭ কোটি ২০ লাখ ব্যারেল তেল প্রত্যাহারের একটি পূর্বনির্ধারিত চুক্তির অংশ হিসেবেই এই উল্লেখযোগ্য হ্রাস ঘটেছে। এই মজুত কমে যাওয়া বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অতীতে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার প্রভাব এখনো বিশ্বব্যাপী জ্বালানি বাজারে রয়ে গেছে। বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়, যা এর কৌশলগত গুরুত্ব তুলে ধরে।

তবে, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের পর কাতারে পরোক্ষ আলোচনা শুরু হয়েছে। এই আলোচনার ফলে হরমুজ প্রণালি ধীরে ধীরে আবারও জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হচ্ছে, যেখানে নৌপরিবহন স্বাভাবিক রাখার বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে। এই পদক্ষেপ বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।